ঢাকাSunday , 22 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
বাগেরহাটে জামায়াত নেতা জামিনে এসে বাদিকে প্রাণনাশের হুমকি

Link Copied!

হত্যা মামলার আসামি জামায়াত নেতা জামিনে এসে বাদিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের ঢেপুয়ারপাড় এলাকার মৃত আবুল কালাম খানের ছেলে মোহাম্মদ মিঠুন খান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের অভিজাত একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজে ও পরিবারের জান মালের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন খান বলেন, ২০২৫ সালের ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় মোড়েলগঞ্জ উপজেলা জামায়াত নেতা মাকসুদ মাওলানা, ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আল আমিন মাওলানা এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী সোহেল খানসহ ১৮-২০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী আমার পিতাকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরেরদিন আসামিদের নামে মোড়েলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর হইতে থানা পুলিশ আসামিদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। তাদের গ্রেফতার না করে তাদের কাছ থেকে অবৈধ লেনদেন করে। থানার ওসি এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রায়ই আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। এতদিন পার হয়ে গেলেও মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়ায় মামলাটি সিআইডিতে প্রেরণের জন্য জেলা পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করি। কিন্তু মামলাটি এখনো পর্যন্ত ট্রান্সফার হয় নাই। অপরদিকে মামলার আসামি জামায়াত নেতা মাকসুদ মাওলানা ও আল আমিন মাওলানা মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিনে এসে আমি ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিতেছে। তারা বলছে “বুড়োটা খেয়েছি এবার ছাওগুলো খেয়ে ফেলবো”। তাছাড়া আমার পিতার মৃত্যুর সময় এই মাকসুদ মাওলানা, আলামিন মাওলানা এবং সন্ত্রাসী সোহেল ৫১ পিস ইয়াবা দিয়ে আমার পিতাকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা করিয়াছে। তারা কয়েকবার আমাদের বাড়ি ঘর লুট পরিবার ব্যর্থ চেষ্টা করিয়াছে। হত্যা মামলার আসামি রঞ্জু খানের স্ত্রী তানজিলা খাতুনকে দিয়ে আমার ভাই রাব্বি খানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করিতেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামী দল থেকে আমাদের এলাকায় এমপি নির্বাচিত হলে আসামিরা আমার ও আমার পরিবারকে হুমকি ধামকি সহ ব্যাপক হয়রানি করিতেছে। স্থানীয় প্রশাসন, থানার ওসি এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বিষয়টি বারবার অবহিত করেছি। তারা মামলা তদন্তের বিষয়ে গাফিলতি করছে। এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার করে নাই তারা। পুলিশের নিরবতা আমাদের অপূরণীয় ক্ষতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আজকের সংবাদ সম্মেলন ও সাংবাদ কর্মীদের লেখনীর মাধ্যমে মামলার তদন্তে অগ্রগতি এবং সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান মোঃ মিঠুন খান।