ঢাকাSaturday , 14 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শরণখোলায় খাল ভরাট, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

Link Copied!

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় একাধিক খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো সংস্কার ও খনন না করায় পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে কৃষিকাজ, মৎস্যচাষ ও দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্য পানির চরম সংকটে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম রাজৈর গ্রামের উপজেলা সংলগ্ন গোলবুনিয়া খালটি মাটি ও আবর্জনায় ভরে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও প্রভাবশালীদের দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগও উঠেছে। এতে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে, আর শুকনো মৌসুমে দেখা দিচ্ছে চরম পানির অভাব। স্থানীয় লালমিয়া তালুকদার ও নুরুজ্জামান ফরাজি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে পানি সংকটে ভুগছি। আষাঢ় শ্রাবণ তিনমাস পানির অভাব না থাকলেও শুকনো মৌসুমে এই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো একেবারে শুকিয়ে যায়। যার ফলে চরমভাবে পানির অভাব দেখা দেয়। তাছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালীরা কোথাও কোথাও খাল দখলে নিতে ময়লা ও মাটি ফেলে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। একই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাকাওয়াত হোসেন আকন,তাসলিমা আক্তার,কৃষক আলমগীর হাওলাদার বলেন, গোলবুনিয়ার এই খালটি প্রায় বহুবছর ধরে ভরাট হয়ে আছে। এর জন্য বহুবার চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে বলা হয়েছে। তবুও তারা খালটি খননের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এখন গোসল,থালাবাটি ধোয়া এমনকি বাথরুমে ব্যবহার করার মতো পানিও পাচ্ছি না। এছাড়াও পশ্চিম রাজৈর গ্রামের ফসলী মাঠ ভেদ করে চলে যাওয়া ভারানীর খালটি একেবারে ভরাট হয়ে গেছে। বর্তমানে সেখানে ব্রো ধানের চাষ করতে পানি পাচ্ছেন না কৃষকরা। যার ফলে বেশ কয়েকটি ক্ষেতে রোপণ করা ধানের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত খাল পুনঃখনন ও দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে আগামী মৌসুমে সংকট আরও বাড়বে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার জানান, ওই খালগুলো সব তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, কৃষি বিভাগের প্রকল্প, বিএডিসি এবং এনজিও’র মাধ্যমে এগুলো পর্যায়ক্রমে কাটানো হবে। তবে এখানে অর্থ বরাদ্দ দ্রুত করার জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দরকার,তাই একটু সময় লাগবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।