ঢাকাTuesday , 10 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধার ৬৭৫ কেন্দ্রের ৩৭৯টি ঝুঁকিপূর্ণ মাঠে থাকছে ১১শ সেনা

Link Copied!

কাল ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ভোটকেন্দ্রভত্তিক ঝুঁকি মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জেলার সাত উপজেলার পাঁচটি আসনে মোট ৬৭৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৭৯টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বাছাই করেছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ১২৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৪১টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১১টি। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ১১৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫১টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১১টি। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮৭টি। এরমধ্যে সাদুল্যাপুরে ৩৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩১টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৭টি। এছাড়া পলাশবাড়ীতে ৪৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৯টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১০টি। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ১৪২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১১০টি। এরমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১০৫টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৫টি। গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯০টি। এরমধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৩৫টি। এর মধ্যে ফুলছড়ি উপজেলার ৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ২৭টি। এছাড়া সাঘাটা উপজেলার ৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৭টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮টি। প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, পূর্বের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা, প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে এবং সম্ভাব্য সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও ভোটগ্রহণে বাধা সৃষ্টি ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলায় ১১শ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করবেন ৪০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৫ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবে ২ হাজার ৫শ পুলিশ সদস্য। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে র‌্যাব টিমসহ মোট ১৪টি র‌্যাব টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজিবি সদস্যও মাঠে থাকবে। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা, চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা বা দ্রুত ফোর্স পাঠানোর প্রয়োজন হলে এই হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনে মোট ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন ভোটার ৬৭৫টি ভোটকেন্দ্রের ৪ হাজার ১০১টি ভোটকক্ষে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।