মেহেরপুরের গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় পৃথক অভিযানে ককটেল, আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া বাজারের একটি ওয়েল্ডিং দোকান থেকে দুটি ককটেল উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ সময় দোকান মালিক রিমন হোসেনকে আটক করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গাংনী ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি দল জোড়পুকুরিয়া বাজারে রিমন হোসেনের ওয়েল্ডিং দোকানে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দোকান থেকে লাল স্কচ টেপ দিয়ে মোড়ানো দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দোকান মালিককে আটক করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ককটেলসহ আটক রিমন হোসেনকে গাংনী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর অভিযানদল।
এদিকে একইদিন সকালে মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের পুরন্দরপুর গ্রামের একটি মাদ্রাসার পাশ থেকে একটি ককটেল উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। ককটেলটি নিরাপদে পানিভর্তি বালতিতে রেখে থানায় নেওয়া হয়।
অপরদিকে সেনাবাহিনীর গাংনী ক্যাম্পের সদস্যরা পৃথক আরেকটি অভিযানে চিৎলা ভিত্তি পাট বীজ খামারের ভেতর থেকে আমেরিকার তৈরি একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগজিন উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
গত এক সপ্তাহে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত আটটি হাতবোমা, তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলিসহ ম্যাগজিন উদ্ধারের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস জানান, এসব ঘটনায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

