ঢাকাSunday , 29 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওএসডি চিকিৎসকের হামলায় কর্মকর্তা আহত

Link Copied!

Hospitalগাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরে শহীদ তাজ উদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে চিকিৎসককে মারধর ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চিকৎসকদের সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে না দেয়ার জেরে শনিবার রাতে গাজীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার ওই কিকিৎসক হলেন, হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার প্রণয় ভূষণ দাস। এতে তার হাটুর লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্তসহ বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ হামলার ঘটনায় প্রণয় ভূষণ দাস ডা. আমির হোসাইন রাহাত ও ডা. অসীম ঘোষসহ স্বাচিপের কয়েক নেতাকে দায়ী করেছেন।
আহত চিকিৎসক প্রণয়ের সহকর্মী ও গাজীপুর স্বাচিপের সাংঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান জানান, গাজীপুরের সিভিল সার্জন কার্যালয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) এক সভা আয়োজন করা হয়। সভায় স্বাচিপ’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. ইকবাল আর্সলান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভা চলাকালে জেলা বিএমএ’র সেন্ট্রাল কাউন্সিলর ও স্বাচিপের আজীবন সদস্য ডা. প্রণয় ভূষণ দাস বক্তব্য দিতে চাইলে সংগঠনের একাংশের নেতারা তাকে অনুমতি দেয়নি। পরে তিনি এর প্রতিবাদ জানিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করার সময় ডা. আমির হোসাইন রাহাত ও ডা. অসীম ঘোষসহ স্বাচিপের কয়েক নেতা প্রণয়ের পথরোধ করে শার্টের কলার ধরে তাকে (ডা. প্রণয় ভূষণ দাস) এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা ও কিল ঘুষি মারতে উদ্যত হয়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে তাদের কাছ থেকে নিজেকে মুক্ত করে পালানোর সময় বারান্দার দেয়ালের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে আহত হন প্রণয়। এ ঘটনায় তার হাটু ও মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
আহত প্রণয় বলেন, ‘ডা. আমির হোসাইন স্থানীয় হওয়ায় ন্যায়-অন্যায় নয় সব বিষয়েই হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। তার কথামতো না চললে চিকিৎসকসহ কর্মচারীরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হন। একই দল ও সংগঠনের সদস্য হওয়ার পরও সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমাদের কয়েকজনকে জানানো হয় না।’
তবে এ ব্যাপারে স্বাচিপ’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. ইকবাল আর্সলান তাদের দুই নেতার মাঝে কথাকাটাকাটির কথা স্বীকার করলেও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
শহীদ তাজ উদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. সুভাস চন্দ্র সাহা জানান, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে বিশ্বব্যাংকের পুষ্টি প্রকল্পের কর্মকর্তা থাকাকালে টাকা আত্মসাৎ মামলায় ওএসডি হন রাহাত। তারপরও তিনি এ হাসপাতালে এসে তার আগের কক্ষে অবস্থান করেন। সেখান থেকে তার নেম প্লেটটিও সরাননি তিনি। এখানে বসেই তার অনুসারী চিকিৎসক ও শিক্ষকদের নিয়ে বিভিন্ন কাজের পরিকল্পনা করেন। এ ব্যাপারে বলতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন তিনি।
ওই হামলার ব্যাপারে ঘটনার রাত সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আপোষ মিমাংসার বৈঠক হলেও কোন মিমাংসা হয়নি। এ নিয়ে সাধারণ চিকিৎকদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
তবে এ ব্যাপারে স্বাচিপের গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. আমির হোসাইন রাহাত মারধোরের কথা অস্বীকার করে জানান, সভায় আলোচনা চলাকালে নিজেদের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে তা সমাধান হয়ে যাবে।