গত ১৮ বছর খালেদা জিয়া তারেক রহমানের কোন খোঁজ রাখেনি। এখন পরিচয় দেয় খালেদা জিয়ার সন্তান। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি বানিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা কামাই করেছে। কোন নেতাকর্মীদের সহায়তা করেনি, এলাকায় যাকাত পর্যন্ত দেয়নি। সবাইকে অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছে। এখন নির্বাচন এসেছে বসন্তের কোকিলের মত কোটি কোটি টাকা নিয়ে ছুটে এসেছে এলাকায় এমপি হওয়ার জন্য। এদেরকে বয়কট করুন। এরা টাকা দিয়ে ভোট কিনে এমপি হতে চাই- স্বতন্ত্র প্রার্থীর উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলেছেন বাগেরহাট ২ (সদর কচুয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিন ব্যাপী সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ধানের শীষ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতীক। এদেশের কোটি কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভালোবাসার প্রতীক ধানের শীষ। এই প্রতীক নিয়ে বাগেরহাটে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে এবং বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বাণ জানান ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন। প্রচারাভিযানে তিনি বেমরতা ইউনিয়নের চিতলি বোটপুর, মাদ্রাসা বাজার, অর্জুন বহর, আনোয়ার ডাঙ্গা, ফতেপুর ইউনিয়ন কাউন্সিল, বিজয়পুর, সাধনার মোড়, কোন্ডোলা প্রাইমারি স্কুল, সুলতানপুর, ভদ্রপাড়া বাদামতলাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভোটারদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। প্রচারাভিযান কালে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তার সাথে ছিলেন, বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম খান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল কালাম আজাদ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান শিমুল, জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক আইউব আলী মোল্লা বাবু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ডালিম ফকির, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা আতিকুর রহমান রাসেল, বেমরতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরামুজ্জামান রিক্ত, সাধারণ সম্পাদক তাহিদুল ইসলাম রানা, বিএনপি নেতা আবুল কালাম মোল্লা, শেখ জালাল উদ্দিন, সরদার রাজ্জাক, এসকেন্দার কাজী, মোজাফফর হোসেন মোজা, মুকুল শেখ, শেখ নুরুল হক, কামরুল ইসলাম রিপনসহ বিএনণপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

