জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মহিমকে র্যাবের একটি যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র্যাব-৫ ও র্যাব-১ এর সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে তাকে ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানাধীন বাউনিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব সোমবার সকাল ১১টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-৫ এর একটি দল চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহিম (২২), পিতা মোঃ আব্দুল মান্নান, সাং ভাসিলা নগরপাড়া, থানা ক্ষেতলাল, জেলা জয়পুরহাটকে গ্রেপ্তার করে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানাধীন গুচ্ছগ্রাম মানবতার এলাকার বাসিন্দা বেলাল ফকিরের মেয়ে (ভিকটিম) তার স্বামীসহ ক্ষেতলাল থানাধীন বড়তৈল ইউনিয়নের অন্তর্গত সমাজ কল্যাণ মোড়ে জনৈক মোস্তফার বাড়িতে বসবাস করতেন। তারা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ-গানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ভিকটিমের সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্বপরিচয় ছিল। গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে অভিযুক্তরা নাচের অনুষ্ঠানের কথা বলে ভিকটিমকে তাদের বসতবাড়িতে ডেকে নেয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধের একপর্যায়ে ভিকটিমকে জোরপূর্বক আটক করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভিকটিম ১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ক্ষেতলাল থানার মামলা নং-০১, তারিখ ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ধারা ৩(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর অধীনে রুজু করা হয়। মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক থাকায় র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার তুরাগ থানাধীন বাউনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি মহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন বলেন, গণধর্ষণ মামলার আসামি ইতিপূর্বে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আজ মহিমকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

