ঢাকাThursday , 8 January 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: সালমানসহ ২২ জনের নামে দুদকের মামলা

Link Copied!

ঋণের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) মামলা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। অনুমোদিত মামলায় সালমান এফ রহমানের ভাই এ এস এফ রহমান, সালমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
এছাড়া বেক্সিমকোর পরিচালক ইকবাল আহমেদ, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক রীম এইচ শামসুদ্দোহা ও এমডি ওসমান কায়সার চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।
আর জনতা ব্যাংকের তৎকালীন সিইও আব্দুছ ছালাম, তৎকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপ ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক সহ-ব্যবস্থাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক এজিএম শাজাহান, সাবেক এজিএম মো. হুমায়ুনি কবীর ঢালী, সাবেক ম্যানেজার শ. ম মাহাতাব হোসেন, কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের এমডি মো. মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানভীর এলাহী, ক্রিসেন্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের এমডি আবু নাঈম মাহমুদ ও পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পরস্পরের যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডকে ঋণ সুবিধা মঞ্জুর ও ঋণ দেয়। তারা এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মালামাল আমদানি-রফতানি দেখিয়ে অ্যাকোমডেশন বিল তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডকে নবসৃষ্টি প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে অভিযোগে বলা হয়েছে, এর পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৭(৩), ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এর ৪ ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।