দুর্নীতির বরপুত্র বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুত। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দিন যত যাচ্ছে পাল্লা দিয়ে তার অপরাধপ্রবণতা ও অনিয়মের মাত্রা অতিক্রম করছে। তিনি যেন অনিয়ম ও দুর্নীতিতেক আকণ্ঠ নিমজ্জিত।
বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হলেও তিনি মোটেও শোধরাননি। অতীতে এসব ব্যাপারে বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হলেও তার মধ্যে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন নেই! কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে কর্মরত ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত। এসব অভিযোগের পরীপ্রেক্ষিতে অতীতে তাকে বিভাগীয় কার্যালয়ে ক্লোজ করা হয়। একই সঙ্গে তার অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয় । অভিযোগ আছে, রতন লাল মাহুত রংপুর বন বিভাগে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে। সে সময় বিভাগীয় মামলায় রতন লাল মাহুত সাময়িক বহিষ্কারসহ শাস্তির মুখোমুখি হন।
এতকিছুর পরেও রতন লাল মাহুত অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে নিজেকে মোটেও সরাননি। বরং তিনি দ্বিগুণ উৎসাহে এসব অপকর্ম করেছে চলেছেন। তার সহকর্মীরা জানান, রতন লাল মাহুত এখনো নানা পদোন্নতি, মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি অবাধে চালিয়ে যাচ্ছেন। ফ্যাসিবাদের দোসরদের সঙ্গে যোগসাজশে তিনি পাহাড়সম দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে পাহাড়সম এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে রতন লাল মাহুতের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে রতন লাল মাহুতের মতো চিহ্নিত ও অতীতে অপরাধের দায়ে শাস্তিপ্রাপ্ত ফ্যাসিবাদের পরীক্ষিত দোসর আর কতদিন বহাল তবিয়তে থাকবে-এই প্রশ্ন বন বিভাগের সচেতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের।

