ঢাকাMonday , 5 January 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেখ বশিরউদ্দীন
কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি-তে উন্নীত করার চিন্তা

Link Copied!

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি-তে উন্নীত করার চিন্তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ‘ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
শীতের সময়ে ঘন কুয়াশা বা আবহাওয়ার কারণে বিমান আসলে আমাদের ঢাকা এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করতে পারে না। সেক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যায়। আমাদের বিমানবন্দরের ক্যাটাগরি উন্নীত করা যায় কি না- এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের এয়ারপোর্ট ক্যাটাগরি ওয়ান ছিল, এটাকে আমরা ক্যাটাগরি টু-তে উন্নীত করেছি। ক্যাটাগরি টু-তে গেলে ৫০ মিটার পর্যন্ত আমাদের ভিজিবিলিটিতে একটা প্লেন ল্যান্ড করতে পারে।
তিনি বলেন, আমাদের আবহাওয়াজনিত যখন বৈরি অবস্থা তৈরি হয় তখন সামান্য কিছু ফ্লাইট ডাইভার্টেড হয়। আমরা যদি শাহজালাল বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি-তে উন্নীত করতে চাই আমাদের এয়ারপোর্ট, তাহলে উত্তরার অনেক বাড়িঘর আমাদের ভাঙতে হবে। সো এত বিশাল ভাঙতে হবে, যে ভাঙাটা আমাদের জন্য প্র্যাকটিক্যাল না, বাস্তব না।
‘পত্রিকায় প্রতিবেদন দেখেছি বছরে ২০-২৫টা ফ্লাইট ডাইভার্টেড হয়, এটা সম্ভবত আমাদের মেনে নিতে হবে। আমাদের কক্সবাজারকে আমরা চেষ্টা করছি যে এটাকে ক্যাটাগরি থ্রি-তে উন্নীত করতে। কারণ কখনো কখনো আমাদের ফ্লাইট কলকাতাতে যায়, কখনো ব্যাংককে যায়। সো আমরা যদি কক্সবাজারকে ক্যাটাগরি থ্রি-তে উন্নীত করতে পারি, তাহলে আমরা হয়তোবা ফ্লাইট ডাইভার্ট করে কক্সবাজারে নিয়ে যাবো।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের কক্সবাজারের রানওয়ে ঢাকার রানওয়ের থেকেও বড়। ঢাকার ১০ হাজার ৫০০ ফিট, কক্সবাজার ১৪ হাজার ফিট। আমরা যদি কক্সবাজারকে ক্যাটাগরি থ্রি-তে নিয়ে আসতে পারি, আশা করি তখন আর বিদেশে যেতে হবে না, আমাদের দেশের মধ্যে আমরা থাকতে পারবো।
বিমান ও পর্যটন উপদেষ্টা আরও বলেন, আগেও আপনাদের বলেছি যে টিকিটের মূল্য কমানো আমার লক্ষ্য না। টিকিটের মূল্য যৌক্তিককরণ আমার লক্ষ্য। আমি মনে করি যে এখনো টিকিটের মূল্য যৌক্তিক হয়নি।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন যে টিকিটের মূল্য অলরেডি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে এসেছে। বাট সেটাও আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় না। আমি মনে করি টিকিটের মূল্য আরও কমা উচিত। বাট এই যৌক্তিক পর্যায়ে আনার ক্ষেত্রে আপনারা প্রয়োজনীয় সংবেদনশীলতা তৈরি করবেন।
‘ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ প্লেনের টিকিট সিন্ডিকেট এবং দুর্বৃত্তায়নের ক্ষেত্রে বড় একটি প্রতিবন্ধকতা বলেও মন্তব্য করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।