নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পুণ্যস্নান উৎসবে পদদলিত হয়ে সাত নারীসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু লাঙ্গলবন্দ স্নান উদযাপন কমিটির সভাপতি পরিতোষ সাহা ঘটনার পর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অারও এক শিশুসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাঙ্গলবন্দের রাজঘাটের সামনে বেইলি ব্রিজে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫(শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার ড.খন্দকার মহিদ উদ্দিন, বন্দর উপজেলার নির্বার্হী কর্মকর্তা ইউএনও মিনারা নাজমিন, বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, বন্দর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদা বারী।
সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ২৫ হাজার টাকা করে তুলে দেয়া হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে-পটুয়াখালি জেলার সুচিত্রা, নোয়াখালী জেলার ভানুমতি, ঢাকা জেলার রাখি ও ভাগবতি দাস, তারা দুজন সম্পর্কে বউ-শাশুড়ি, কুমিল্লা জেলার রণজিৎ, কানন বালা, ও তুলসি দাস, গোপালগঞ্জ জেলার নকুল, মানিকগঞ্জ জেলার নিত্য গোপাল দাস ও মালতি দাস, তারা দুইজন সম্পর্কে মা ছেলে।
সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। তবে এ ঘটনার জন্য লাঙ্গলবন্দের অবৈধ দখলদারদের দায়ী করছি আমি। তারা অবৈধভাবে দোকানপাট তৈরি করে মানুষের যাতায়াতে রাস্তা সরু করে ফেলেছে। যার ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে তাদের উদ্দেশে বলতে চাই যারা অবৈধ দখলদার আছেন তারা যেন এখনই জায়গাগুলো ছেড়ে দেন।
জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান মিঞা সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার ও শনিবার ছুটির দিন থাকায় এবার প্রচুর পুণ্যার্থীর আগমন হয়েছে। বেইলি ব্রিজের আগের রাস্তাগুলো খুব প্রশস্ত কিন্তু ব্রিজে এসে রাস্তাটি হঠাৎ সরু হয়ে যাওয়ায় সেখানে পুণ্যার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় জমে গেলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আমার মনে হচ্ছে। দ্রুত বেইলি ব্রিজ এবং এর আশেপাশের সড়কগুলো আরও প্রশস্ত করার ব্যবস্থা করা হবে।

