ঢাকাTuesday , 24 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তিতাসে সাড়ে ৫শ কোটি টাকা দুর্নীতি অনুসন্ধানে নামছে দুদক

Link Copied!

Titasনিজস্ব প্রতিবেদক: সাড়ে ৫শ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তিতাস গ্যাস টিএন্ডডি কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এরমধ্যে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিপরীতে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত সাড়ে ৪শ কোটি আত্মসাৎ ও ত্রুটিপূর্ণ লাইন সরবরাহের কারণে সিস্টেম লসের ফলে বছরে তিতাসের ১শ কোটি টাকার ক্ষতি করেছে প্রতিষ্ঠানটির কিছু অসাধু কর্মকর্তারা।
এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার কমিশনের এক বৈঠকে এ অভিযোগ অনুসন্ধানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এজন্য একজন অনুসন্ধানী কর্মকর্তাও নিয়োগ দিয়েছে কমিশন।
দুদক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তিতাস গ্যাস টিএন্ডডি কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী পরস্পর যোগসাজে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিছু অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়। এসব অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে এড়িয়ে গ্রাহক সংকেত নম্বর ছাড়াই গ্যাস সরবরাহ করা হয়। আর এসব গ্যাস সংযোগের সুবিধাভোগী গ্রাহকদের কাছ থেকে গ্যাস বিল বাবদ বিভিন্ন সময়ে আদায়কৃত প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন প্রতিষ্ঠানটির অসাধু কর্মকর্তারা।
এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ লাইন সরবরাহের কারণে সিস্টেম লসের ফলে প্রতি অর্থবছরে তিতাস গ্যাস কোম্পানির ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১শ কোটি টাকা। এইসব টাকা আত্মসাতের ও দুর্নীতির পেছনে প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ পর্যায়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জড়িত আছেন। দুদকের অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাদের মুখোশ উম্মেচিত হবে বলে দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়।
দুদক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিতাস গ্যাস টিএন্ডডি কোম্পানির সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগটি আসলে তা আমলে নিয়ে প্রথমে যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগটি যথাযথ মনে হওয়ায় অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। আর এই অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য পেট্রোবাংলা (তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ) দুর্নীতি অনুসন্ধানে নিয়োজিত প্রাতিষ্ঠানিক টিমের প্রধান ও উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ আলমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দুদক বিধিমালা- ২০০৭ অনুযায়ী অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।