নারায়ণগঞ্জ বিসিক এক নম্বর গেটে অবস্থিত নিউআরএস হাই ফ্যাশন লিমিটেডের সঙ্গে একটি চক্রের ব্যবসায়িক প্রতারণার অভিযাগ উঠেছে। যার মূল ক্রেতা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানী মার্ক এইচ। যাদের ব্যবসা ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের অর্ডার প্লেস করার পরে পেমেন্ট নিয়ে প্রতারণা করা। কোম্পানীটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অর্ডারের শিপমেন্টের পেমেন্ট নিয়ে করেছে চরম অবহেলা। অভিযোগকারী নিউআরএস হাইফ্যাশন লিমিটেড একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের সেলস্ কন্ট্রাকের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়, সে মোতাবেক প্রত্যেক শিপমেন্টের পর মূল্য পরিশোধ করার কথা থাকলেও বাংলাদেশী এজেন্ট টেক্সটাইল স্টিজ নামের একটি বায়িং হাউজ প্রতিনিয়ত চুক্তির পরিবর্তন করতে থাকে। যে অর্ডারটা বাংলাদেশী এজেন্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয় তা পরবর্তীতে সরাসরি বায়ারের সাথে পেমেন্টগুলা নিয়ে বিলম্বিত করে এবং অর্ডার বাতিল করে দেয়। নিউআরএস হাই ফ্যাশন লিমিটেড বাংলাদেশী এজেন্ট টেক্সটাইল স্টিজের অর্ডার বাতিলের পূর্বে ”র” মেটেরিয়ালস ফ্যাক্টরিতে চলে আসে। ফ্যাক্টরি কর্ণধার সাহিদুর রহমান উক্ত চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে গার্মেন্টস রপ্তানি করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। বর্তমানে তার ফ্যাক্টরিতে ৫ লক্ষ ডলারের অধিক সমপরিমাণ অর্ডারকৃত মালামাল পড়ে থাকায় তিনি বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। আর এই সমস্ত অর্ডার প্লেস করেছিলেন বাংলাদেশী এজেন্ট টেক্সটাইল স্টিজের মালিক বাবুল আহমেদ। তার সাথে এশিয়া এবং আমেরিকার একটি বড় চক্র এই প্রতারণার কাজে জড়িত আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে নিউআরএস হাই ফ্যাশন লিমিটেডের ক্ষতিগ্রস্ত মালিক সাহিদুর রহমান ঋণের চাপে জর্জরিত। সাহিদুর রহমান গত ৫ জুন নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় বাংলাদেশী এজেন্ট টেক্সটাইল স্টিজের মালিক বাবুল আহমেদ নামে একটি প্রতারণার মামলা দাযের করেন। যা বতর্মানে আদালতে চলমান আছে।

