‘দঙ্গল’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেকের পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সানিয়া মালহোত্রাকে। প্রথম ছবি দিয়েই নজর কাড়েন দর্শকের। এরপর একের পর এক ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। পরিশ্রম ও প্রতিভার জোরে বলিউডে তৈরি করেছেন দৃঢ় অবস্থান।
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি ‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’। ছবির প্রচারণার ফাঁকে এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন ও অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন এই তরুণ অভিনেত্রী।
চরিত্রেই সাফল্যের স্বাদ
সানিয়ার অভিনয়জীবন নানা রঙে ভরপুর। ‘পটাকা’, ‘বাধাই হো’, ‘পাগলেট’, ‘মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বর’, ‘শ্যাম বাহাদুর’ ও ‘কাঠাল’— প্রতিটি ছবিতেই দর্শকদের উপহার দিয়েছেন নতুন এক রূপ।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার অভিনীত প্রতিটি প্রকল্প আমাকে গড়েছে, সমৃদ্ধ করেছে। প্রতিটি চরিত্র আমাকে একজন অভিনেত্রী হিসেবে নতুন করে চিনিয়েছে। আজ যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, তার পেছনে এই চরিত্রগুলোর বড় ভূমিকা আছে।”
নিজের কর্মজীবনকে ‘স্রষ্টাপ্রদত্ত’ বলে মনে করেন সানিয়া। তাঁর ভাষায়,
“আমার যাত্রা খুব সুন্দর। অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রতিটি চরিত্র আমাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও গর্বিত।”
আনন্দে ভরা শুটিং সেট
‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’ ছবির শুটিং অভিজ্ঞতা নিয়েও দারুণ স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।
“সেটের পরিবেশ ছিল দুর্দান্ত। কাজের ফাঁকে সবাই মিলে খাওয়াদাওয়া করতাম, ফিটনেস সেশন ও নাচের ক্লাস করতাম। কখনো পার্টি, কখনো গেম খেলা—পুরো টিমই ছিল প্রাণবন্ত। ছবির পুরো যাত্রাটাই আমার জন্য উপভোগ্য ছিল।”
নাচেই ভাইরাল, তবু অপেক্ষায় নাচকেন্দ্রিক ছবির
অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও সমান পারদর্শী সানিয়া মালহোত্রা। ব্যালে ও সমকালীন নাচে প্রশিক্ষিত তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ভাইরাল হয় তাঁর নাচের ভিডিও।
তবে এখনো কোনো নাচকেন্দ্রিক চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ পাননি বলে খানিকটা আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।
“আমি এমন এক ছবির অপেক্ষায় আছি, যেখানে আমার নাচের দক্ষতাকে বড় পর্দায় দেখাতে পারব,” বলেন সানিয়া।
নতুন ছবিতে ব্যস্ততা
খুব শিগগির সানিয়া মালহোত্রাকে দেখা যাবে নেটফ্লিক্সের নতুন ছবি ‘টোস্টার’-এ, যেখানে তাঁর সহশিল্পী রাজকুমার রাও।

