হাফেজ আবু হানিফ গাজীর হত্যার বিচারের দাবীতে সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডিবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ইমদাদুল হক। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আবু হানিফ গাজীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ এ হত্যা কোন ভাবেই কাম্য নয়। আমরা তার হত্যার বিচার চাই ।পাশাপাশি তার অসহায় পরিবারের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি করেন। সুষ্ঠু তদন্ত করে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচার কার্যক্রম শুরু না করলে কঠোর আন্দোলনে যাবেন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। আবু হানিফ গাজীর মা বলেন, আমার সন্তানের হত্যার বিচার চাই, আর কিছু আমি চাই না। দ্রুত সময়ের মধ্যে খুনিদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আবু হানিফ গাজীর স্ত্রী বলেন, আমার দুটি সন্তান নিয়ে আজ রাস্তায় দাঁড়িযেছি আমার স্বামীর হত্যার বিচারের দাবীতে। সভাপতি তার সমাপনি বক্তব্যে বলেন, ন্যায় বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার, তা নষ্ট করার অধিকার কারোর নেই৷ যেহেতু এখন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। সুতরাং সরকারের দায়িত্ব এই মৌলিক অধিকার রক্ষা করা। সরকারের দায়িত্ব ছিল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই। গত ২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে আবু হানিফ মোহাম্মদপুরের নিজ ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি। ঐদিন রাত ১০ টার দিকে বিরুলিয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ বরিশালের মুলাদী থানার নাজিরপুর ইউনিয়নের চরনাজীরপুর গ্রামে দাফন করা হয়। মানববন্ধনে তার জন্মস্থান নাজিরপুরের অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।

