চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলে বরযাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত মো. ফয়সালের (৪৭) মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৫ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ফয়সাল নগরীর পতেঙ্গা থানার নিজাম মার্কেট এলাকার বাসিন্দা হোসেন আহমেদের ছেলে। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
দুর্ঘটনায় ফয়সালের স্ত্রী রাণী আক্তারসহ (৩১) আরও চারজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এর আগে শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বরযাত্রীবাহী বাসটি কর্ণফুলী টানেলের পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে আনোয়ারার দিকে যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারণে উল্টে যায়।
নিহত ফয়সালের ছোট ভাই সালাহ উদ্দিন জানান, শনিবার দুপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় বাসচালক অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। টানেলের মাঝপথে বাসটি উল্টে গেলে ভেতরে থাকা ৩০ যাত্রীর মধ্যে ১২ জন আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে চিকিৎসকরা আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে তাদের নগরীর ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বড় ভাই ফয়সাল মারা যান।
তিনি আরও বলেন, চালকের বেপরোয়া গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমার ভাবিসহ আরও কয়েকজনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।
আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে জানতে পেরেছি আহতদের মধ্যে ফয়সাল নামের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টানেলের ভেতরে গতিসীমা না মানায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, কিন্তু কার্যকর নজরদারি নেই।

