ঢাকাSaturday , 27 September 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সম্প্রীতির বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ হতে মাটিরাঙায় সম্প্রীতি সভায় পার্বত্য উপদেষ্টার আহ্বান

পিআইডি
September 27, 2025 5:14 pm
Link Copied!

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, সম্প্রীতি শুধু একটি শব্দ নয়, এটি একটি চর্চা যা আমাদের সমাজকে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। সকল ধর্ম, জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সম্প্রীতি সভায় উপদেষ্টা একথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা ও কঠিন চীবর দান উৎসবকে সামনে রেখে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। উপদেষ্টা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে মানসম্মত শিক্ষা, জীবিকা ও পরিবেশের উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি সরকারি বাজেট বরাদ্দের শতভাগ কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে আপোষহীন। এবারের বাজেটের ৪০ শতাংশ অর্থ আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। কৃষি উন্নয়নে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, হলুদ ও আদা গ্রাইন্ডার মেশিনের ড্রাইসহ প্যাকেটজাতকরণ এবং কাঁঠালকে চিপস বা পাউডারে রূপান্তর করে শুকনো খাবার প্যাকেজিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি সকল সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় দেশের মূলধারার সঙ্গে একীভূত হয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। সভায় পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সহাবস্থান ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সকলে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, ৪০ বিজিবির জোন কমান্ডার লে. কর্নেল শাহিনুল ইসলাম, মাটিরাঙা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল ইব্রাহিম আধহাম, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম সুমন, স্থানীয় জনগণ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।