ঢাকাSaturday , 30 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আইয়ুব আলীর প্রতিবাদ

Link Copied!

গত ২২ আগষ্ট ২০২৫ মানবজমিন পত্রিকায় ‘এক প্রকৌশলীর যত সম্পদ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের উপর বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আইয়ুব আলীর প্রতিবাদঃ

মোঃ আইয়ুব আলী বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্প “বিআরডব্লিউটিপি-১” এর প্রকল্প পরিচালককে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদে অনিয়ম, জাল জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার মালিক, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে অঢেল সম্পদ, আছে একাধিক বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, জমি, মুরগীর খামার, গরুর খামার, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, মাছের ঘের ও ধানী জমি-যা অসত্য, মনগড়া ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন । বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প হওয়ায় প্রকল্পের প্রতিটি কাজ বুঝে নেয়া/প্রত্যয়নের দায়িত্ব বিশ্বব্যাংকের। বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রতিটি কাজের বিল যাচাইপূর্বক তা ঠিকাদারকে পরিশোধ করতে হয় বিধায় এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। এছাড়া প্রতিটি কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিশ্বব্যাংক সরাসরি জড়িত থাকে। তাদের অনুমতি ব্যতিত কোনও দরপত্র অনুমোদন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের সুযোগ নেই বিধায় অনিয়ম, জাল জালিয়াতি করে অঢেল সম্পদ গড়ার সুযোগও নেই। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত কোনও সম্পদ দেশে কিংবা বিদেশে মোঃ আইয়ুব আলী ও তার পরিবারের নেই। “আইয়ুব আলীর ঢাকা, ফতুল্লা, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, পূর্বাচল, কালীগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, শালিখা, ভৈরব, বাঘারপাড়ায়ও জমি কিনেছেন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা এসব এলাকায় তার নামে কোনও জমি নেই। পূর্বাচলে তার নামে ৩ কাঠার একটি প্লট ছিল যা তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। আইয়ুব আলীর স্ত্রী ফারজানা নাহিদের নামে বসুন্ধরায় ১৩ নং রোডে এম ব্লকে ৩ কাঠার একটি প্লট আছে যা বিআইডব্লিউটিএ হতে গৃহীত লোন দ্বারা ক্রয়কৃত এবং মোঃ আইয়ুব আলীর নিজ নামীয় কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকার ৪ কাঠা জমি ২ কোটি টাকায় বিক্রিত অর্থ স্ত্রীকে লোন হিসেবে প্রদানকৃত ও প্রাইম ব্যাংক হতে ৭৫ লক্ষ টাকার লোন নিয়ে বাড়ির কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। বারিধারা ডিওএইচএস ২ নং লেনে ২২০০ স্কোয়ার ফিটের ২টি ফ্ল্যাট রয়েছে মর্মে সংবাদটি সঠিক নয়। উক্ত লেনে ২২০০ স্কোয়ার ফিটের ২টি ফ্ল্যাট তাহাদের কারো নামে নেই। সাভার আশুলিয়ার আকরানে বায়তুন নুর জামে মসজিদের পাশে ১১ শতাংশ জমিতে কোনও গরুর খামার নেই। সুতরাং সংবাদটি সত্য নয়। ঢাকার পশ্চিম ধানমন্ডির টালি অফিসে মনোয়ারা শিকদার এপার্টমেন্ট ২৯৫/এ/১ নং এর ৭ নং বিল্ডিং এ ২০০৭-০৮ সালে ১১০০ স্কোয়ার ফিটের একটি পুরাতন (১৯৯৭ ইং সনের বিল্ডিং) ফ্ল্যাট ডিবিএইচ হতে লোন নিয়ে আইয়ুব আলীর নামে ক্রয় করা হয়। অতএব প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়। “একই এলাকায় ধানমন্ডির জিগাতলা নিঝুম আবাসিক এলাকায় ২০০০ স্কোয়ার ফিটের আরেকটি ফ্ল্যাট রয়েছে তার। ৭০/৭ এই ঠিকানায় ফ্ল্যাট নম্বর ৩ এ। এছাড়া ধানমন্ডি ৫ নং রোডের শেষ মাথার বাড়িতে তার একটি ৩২০০ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট রয়েছে।” সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা এসব স্থানে মোঃ আইয়ুব আলীর কোনও ফ্ল্যাট নেই। আইয়ুব আলী ও তার স্ত্রীর নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় কোনও সম্পত্তি নেই। অতএব সংবাদটি মিথ্যা। “ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অল্প সামনে এগিয়ে হাতের ডানপাশে ৫০ শতাংশ জমিতে একটি বড় মুরগীর খামার নির্মাণকাজ চলছে। সেখানে ২টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ করে মুরগী পালন ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে”- এরূপ তথ্যের সাথে আইয়ুব আলীর কোনও সম্পৃক্ততা নেই। এটা কে বা কারা করছে তা আইয়ুব আলী জানা নেই। আশুগঞ্জে নদীবন্দরে ২১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বব্যাংকের অধীনে পরিচালিত নতুন একটি কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে। যার ঠিকাদার NDE-Daeyang-SSR1 JV. তবে ইট, বালু সাপ্লাইয়ের কাজ স্থানীয় লোক করছে বলে জানা গেছে। প্রকাশিত অন্যান্য সংবাদ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। “ওদিকে ঢাকার হাজারিবাগ এলাকায় স্ত্রীর নামে ২৩০০ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট কিনেছেন আইয়ুব আলী”-সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা উক্ত এলাকায় জমি ও ফ্ল্যাট আইয়ুব আলী স্ত্রীর নামে বা তার নিজের নামে নেই। প্রমাণ আবশ্যক। “এছাড়াও হাজারিবাগ এলাকায় আরো ৩টি ১৭০০, ১৯০০ ও ২২০০ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট থাকার তথ্য মিলেছে”-সংবাদটি মিথ্যা ও অনুমান নির্ভর। তথ্য প্রমাণ আবশ্যক। “শ্যালকের নামে মোহাম্মদপুর হাউসিং এস্টেটের সি ব্লকে ৫০৩/এ ২২০০ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট কিনেছেন আইয়ুব আলী”-সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রমাণ আবশ্যক। “ঢাকার আশুলিয়ায় ২০ কাঠা করে ৩টি প্লট আছে তার। ঢাকার পূর্বাচলে আছে ৫ কাঠার ২টি প্লট। আফতাবনগরে ৪.৫ কাঠার ৩টি প্লট তার নিজের নামে রয়েছে।”-সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রমাণ আবশ্যক।
স্ত্রীর নামে যত জমি শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে ৪.৯৫ শতাংশ (৩ কাঠা) জমি সম্পর্কে। এছাড়া মাগুরা শালিখা উপজেলার পুকুরিয়া মৌজায় যে জমির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে তা আইয়ুব আলীর স্ত্রীর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি। তার বাবা মারা যাবার পর ৪ বোন ও ১ ভাইয়ের মধ্যে বণ্টননামা দলিল করা হয় এবং প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশে নামজারি করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত জমি তাদের একমাত্র ভাইকে পাওয়ার অব এটর্নি দেয়া হয়। তবে কয়েকটি ভূমিতে পারিবারিকভাবে তাদের চাচারা গরু পালন করেন ও পুকুরে মাছ চাষ করেন। আইয়ুব আলীর নামে যত জমি শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে উল্লেখ্য যে, ঢাকার কেরানীগঞ্জের জমি বিক্রি করে ২ কোটি টাকা স্ত্রীকে লোন দেয়া হয়েছে। রূপগঞ্জ হিরনাল মৌজায় জমি বিক্রি করা হয়েছে। মিরপুর ১২ মৌজায় কোনও জমি আইয়ুব আলীর নেই। যশোর বাঘারপাড়া, নারকেলবাড়িয়া পাঁচবাড়িয়া মৌজায় আইয়ুব আলীর নামে যে অল্প কিছু জমি রয়েছে তা পিতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। সেইসব জমিতে কোনও গরুর খামার নেই। ছেলে নাভিদ ঐশিকের নামে যত সম্পদঃ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে উল্লেখ্য যে, ইব্রাহিমপুর মৌজা, মিরপুর ডিওএইচএস ও পূর্বাচল জলসিড়ি প্রকল্পে ছেলের নামে কোনও ফ্ল্যাট ও বাড়ি নেই। সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। আইয়ুব আলীর বিদেশে (নিউইয়র্ক, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া অথবা অন্য কোনও দেশে) কোনও সম্পদ নেই। সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রমাণ আবশ্যক।
“অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ তে চলমান সব ড্রেজিং প্রকল্পে প্রতি ঘনমিটার যে ব্যয় হয় ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রতি ঘনমিটার ড্রেজিং খরচ বাস্তবের চেয়ে অনেক বেশি দেয়া হয়। এই কাজে আইয়ুব আলী সহায়তা করেন। প্রকল্পটিতে ড্রেজিং এর নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করার অভিযোগ রয়েছে।” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা মোঃ আইয়ুব আলী শুধু বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের পরিচালক। প্রকল্পের একটি প্যাকেজ রয়েছে ড্রেজিং কাজের যার প্রতি ঘনমিটার মাটির মূল্য বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত। এখানে কমবেশি করে বিল প্রদানের সুযোগ নেই। দুইটি লটে বিভক্ত ড্রেজিং কাজের জন্য নির্ধারিত চুক্তিমূল্য যথাক্রমে ১৫২ কোটি ও ২৭৩ কোটি। কাজেই ৭০০ কোটি টাকা বিল প্রদানের কোনও সুযোগ নেই। কোটি কোটি টাকা অপচয় করার অভিযোগটি ভিত্তিহীন। “ড্রেজিং সাম্রাজ্যের রাজাঃ” প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে গত বছরের ৫ অগাস্ট বুড়িগঙ্গা তীর রক্ষা ৩০০ কোটি টাকার একটি নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেন আইয়ুব আলী”-এ সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কেননা গত বছরের ৫ অগাস্ট বিআইডব্লিউটিএ এর কোনও প্রকল্প অনুমোদিত হয়নি এবং ৩০০ কোটি টাকার কোনও প্রকল্প আইয়ুব আলী অনুমোদন করেননি। এ ধরনের কোনও প্রকল্পের সাথে আইয়ুব আলী জড়িত নন। প্রমাণ আবশ্যক। যেহেতু এ প্রকল্পটিতে আইয়ুব আলীর কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই সেহেতু ঠিকাদারের নিকট হতে কোনও ঘুষ গ্রহণের সুযোগ নেই। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আইয়ুব আলী কোনও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন না। বিআইডব্লিউটিএতে আইয়ুব আলী দীর্ঘ ৩৩ বছর চাকরি করছেন। সাইফুজ্জামান শেখর আইয়ুব আলীর খালাতো ভাই নন। তার পরিচয় দিয়ে এই দীর্ঘ চাকুরি জীবনে তিনি কখনও কোনও দাপট দেখাননি। দাপট দেখালে তিনি চাকুরীজীবনে এতদিনে আরও উপরে উঠতে পারতেন। ড্রেজারের তেল চুরির ঘটনায় আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে কখনও কোনও মামলা হয়নি। সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রমাণ আবশ্যক। সম্প্রতি কেনা ১১টি ড্রেজারের আমদানির সাথে আইয়ুব আলীর কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। সংবাদটি আদৌ সত্য নয়। আইয়ুব আলী ১৯৯২ সনে চাকুরীতে যোগদানের পর হতে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম, ভুয়া বিল, ভাউচার ও চুরির ঘটনার অভিযোগের কোনও প্রমাণ নেই। এ ধরণের কোনও ঘটনার সাথে আইয়ুব আলী জড়িত ছিলেন না। প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিআইডব্লিউটিএ শাখায় তিনি নেতা ছিলেন না। সংবাদটি সঠিক নয়। আইয়ুব আলীর ২ ছেলে অস্ট্রেলিয়াতে স্কলারশিপ নিয়ে লেখাপড়া শেষ করে উচ্চবেতনে সাইবার সিকিউরিটি ফার্মে চাকুরীরত আছে। মোঃ আইয়ুব আলীর নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। তিনি অফিসিয়াল গাড়ি ব্যবহার করেন। অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ি কেনার তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া। প্রমাণ আবশ্যক। ছেলে পড়াশুনা করতে যাওয়ার পর অদ্যাবধি আইয়ুব আলী সস্ত্রীক বা নিজে কখনও অস্ট্রেলিয়ায় যাননি। প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। “ঠিকাদারদের হামলার শিকার আইয়ুব আলী”-প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়। একটি বিশেষ ব্যক্তির প্রতিহিংসার কারণে ঘটনাটি ঘটেছিল।
মোঃ আইয়ুব আলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক হিসেবে মে ২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত “বাংলাদেশ আঞ্চলিক অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন প্রকল্প-১” শীর্ষক প্রকল্পের পিডি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে বিশ্বব্যাংকের সন্তুষ্টিতে প্রকল্পের কাজ সাফল্যজনকভাবে পরিচালনা করে আসছেন। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ও তার উপর সন্তুষ্ট বলে প্রতিবাদলিপিতে প্রকৌশলী মোঃ আইয়ুব আলী দাবী করেন।