নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এক গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে তার সাবেক স্বামী। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মেরাটিয়া মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘাতক সুমনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১০ বছর আগেই তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। কিন্তু সুমন প্রতিশোধ নেয়ার অপেক্ষায় ছিলো। গতকাল রাতে রুবিকে ফুসলিয়ে সুমন তার বন্ধুর বাসায় নিয়ে যায়। এরপর তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় সুমন। পরে স্থানীয় লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর সাড়ে ৬টায় মারা যান রুবি। এ ঘটনায় ঘাতক সুমনকে আটক করা হয়েছে।
স্বজনরা জানায়, রুবি তার বর্তমান স্বামী রানাকে নিয়ে যাত্রাবাড়ীর মিরহাজীরবাগ এলাকায় থাকতেন। তাদের ঘরে নুসরাত (৪) নামের একটি মেয়ে সন্তানও রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে রুবিকে ফুসলিয়ে খিলগাঁওয়ে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যায় সুমন। এরপর রুবির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় সে।
নিহত রুবির গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর এলাকায়।
রুবির ভাই রোমান বলেন, ‘১০ বছর আগে সুমনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল রুবির। বিয়ের পরপরই তাদের দাম্পত্য জীবনে শুরু হয় কলহ। এর জন্য সুমন নিজেই দায়ী ছিলো। প্রতিদিন সে নেশা করে বাসায় ফিরতো। রুবি এ নিয়ে কথা বললে সুমন তার সঙ্গে ঝগড়া করতো। ফলে বিয়ের ছয় মাস যেতে না যেতেই সুমনের সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সুমনের কাছ থেকে রুবিকে ছাড়িয়ে নিয়ে অন্য এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেই আমরা। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর পর সুমন এভাবে আমার বোনকে পুড়িয়ে মারবে বুঝতে পারি নাই।’

