ঢাকাTuesday , 10 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভুয়া ভোটার তৈরিসহ নানা অভিযোগ
বিএমএ নির্বাচনে যাচ্ছে না বিএনপি-জামায়াতপন্থিরা

Link Copied!

Khulna-BMA-Election-press-conখুলনা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সম্মিলিত চিকিৎসক পরিষদের প্রার্থীরা। ভুয়া ভোটার তৈরি, প্রচার-প্রচারণায় বাধা দেয়সহ নানা অভিযোগে তারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসক নেতারা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগে শূন্যতা সৃষ্টি, ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত চিকিৎসক নেতারা নির্বাচনে ভুয়া ভোটার তৈরি, প্রার্থীদের হুমকি, বদলির মাধ্যমে হয়রানি করছে। সেইসঙ্গে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাও বাধা দেয়া হচ্ছে। এ জন্য তারা এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।
তবে আওয়ামী সমর্থিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতারা বলছেন, নিশ্চিত ভরাডুবির আশঙ্কায়ই তারা এ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ১২ পদে ২৪ সদস্যের দু’টি পৃথক প্যানেল লড়ছেন প্রার্থীরা। এর একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) মনোনীত সভাপতি প্রার্থী ডা. শেখ বাহারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মেহেদী নেওয়াজ।
অপরদিকে বিএনপি-জামায়াতপন্থি প্যানেল সম্মিলিত চিকিৎসক পরিষদ মনোনীতরা হলেন- সভাপতি ডাঃ. রফিকুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান।
নির্বাচনে সর্বমোট ভোটা ১ হাজার ২২১ জন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খুলনা বিএমএ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২০০৫ সালে খুলনা বিএমএর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যার মেয়াদ হয় ২০০৭ সালে।
সম্মিলিত চিকিৎসক পরিষদ মনোনীত রফিকুল হক বাবলু-শেখ মো. আখতারুজ্জামান প্যানেলের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের সদস্য সচিব শওকত আলী লস্কর।
তিনি বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সরকার সমর্থক চিকিৎসক সংগঠন স্বাচিপ নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে। তারা নির্ধারিত সময়ের পর ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে ভুয়া ভোটার সৃষ্টি করছে। ছবিসহ ভোটার আইডি প্রদান বন্ধ, নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিয়েছে। ইতিমধ্যে তিনজন চিকিৎসককে বদলি করা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডা. মুজিবুর রহমান ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগের পর সাধারণ সভার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনোনয়ন না করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশন দিয়ে অবৈধভাবে নির্বাচনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। যার ফলে সুষ্ঠু ও আইনগতভাবে বৈধ নির্বাচন সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএমএ’র সভাপতি ও বর্তমান নির্বাচনেও সভাপতি পদ প্রার্থী ডা. রফিকুল হক বাবলু, সাধারণ সম্পাদক ডা. শেখ মো. আখতারুজ্জামান, ডা. মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
এ বিষয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর খুলনা সভাপতি ও সভাপতি প্রার্থী ডা. শেখ বাহারুল আলম  বলেন, ‘তারা নির্বাচনে নিশ্চিত ভরাডুবির আশঙ্কায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। আট বছর আগে বর্তমান কমিটির মেয়াদ হয়েছে। কিন্তু তারা নির্বাচন না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে নেতৃত্ব কুক্ষিত করে রেখেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ চিকিৎসকরা তাদের স্বেচ্ছাচারিতায় ক্ষুব্ধ হয়ে নির্বাচনের জন্য দাবি জানান। তারই প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ২২ নভেম্বর সাধারণ সভায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এর পরও চিকিৎসল সমাজের স্বার্থ বিরোধী চক্র নির্বাচন বানচালের চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। তারা মিথ্যা অভিযোগ তুলে আদালতে গিয়েও কোন সুবিধা করতে পারেনি। তাই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।’