বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড যশোরের পৃষ্টপোষকতায় ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রযুক্তিগত নানা মুখী সহযোগিতায় যশোরের কেশবপুরে বাড়ছে তুলার আবাদ। তুল চাষে খরচের তুলনায় লাভ বেশী হওয়া এবং অনাবাদি পতিত জমিতে চাষ করার সুবিধা থাকায় দিনে দিনে এ উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা তুলা চাষের প্রতি ঝুকে পড়ছে। তুলা চাষে কৃষকদের আরো বেশী আগ্রহী করে তুলতে চলতি বছরে তুলা উন্নয়ন বোর্ড প্রদর্শনী প্লট ও প্রনোদনা প্যাকেজের আওতায় চাষীদের মাঝে তুলা বীজ, সার, কীটনাশক প্রদান করেছে। এছাড়া বীনা সুদে আগ্রহী চাষীদেরকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করছেন। যার ধারাবাহিকতায় কেশবপুরে ১৫০ জন কৃষককে এই সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস ও যশোর জেলা তুলা উন্নয়ন বোর্ড অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ভাবে তুলা চাষের কোন লক্ষ্যমাত্রা না থাকলেও জেলা ও উপজেলা ব্যাপী তুলার আবাদ বৃদ্ধি করতে তুলা উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি বিভাগ রিলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলে প্রতি বছরই তুলার আবাদ বাড়ছে। কৃষি অফিস জানান গত বছর এ উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ হলেও চলতি বছরে তা ২ হেক্টর বেড়ে দাড়িয়েছে ২২ হেক্টরে। তুলা লাভজনক ফসল হওয়ায় এর আবাদ বাড়ছে। আগামী বছর তুলার আবাদ ৩০ হেক্টর ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন তারা। উপজেলা তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা কোহিনুর রহমান বলেন, ১বিঘা জমিতে তুলা চাষ করতে সব মিলিয়ে চাষীর খরচ হয় ১৫হাজার থেকে ১৮হাজার টাকা। বিঘা প্রতি ফলন হয় ১৮ থেকে ২০ মণ। প্রতি মণ তুলা বিক্রি হয় ৩৯০০টাকা থেকে ৪হাজার টাকা। খরচ বাদে ১বিঘা জমিতে তুলা চাষ করে কৃষকের লাভ হয় ৫০ থেকে ৬০হাজার টাকা। এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা জাকির বিন আলম বলেন, তুলার আবাদ বৃদ্ধিতে আমরা কয়েকটি জেলা নিয়ে কাজ করছি। অন্যান্য ফসলের চেয়ে তুলা চাষে খরচ কম ও লাভ বেশী পাওয়া যায়। তাছাড়া পতিত জমিতে তুলার আবাদ ভাল হয় এসব বিষয় গুলো কৃষকদের বোঝানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং ভাল ফলাফল পাচ্ছি।

