ঢাকাWednesday , 29 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদারীপুর পরিবহন শ্রমিক নেতাকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

Link Copied!

মাদারীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সড়ক বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল শরীফকে দিন-দুপুরে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেছে দুবৃর্ত্তরা। বুধবার (২৯ জানুয়ারী) সকাল পৌনে ১১টার দিকে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ের পাশে বালুর মাঠে তাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে মাদারীপুর জেলা আড়াইশ’ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রেজাউল শরীফ মাদারীপুর জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আসেন। পরে কার্যালয়ের পাশে বালুর মাঠে গেলে ১২ থেকে ১৪ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাকে ঘেরাও করে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে তার ডাক-চিৎকালে লোকজন এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর জেলা আড়াইশ’ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় তার হাত-পা আর পিঠের একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন দেখা যায়। তবে রেজাউল শরীফ তাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানের ছোট ভাই হাফিজুর রহমান জাচ্চু খানের মালিকানাধীন ‘সার্বিক পরিবহন’ এর সাবেক কর্মী আয়নাল বেপারী ও তার লোকজন নিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেছে বলে অভিযোগ করেন। তবে আয়নাল বেপারী বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মাদারীপুর জেলা পুলিশের চৌকস একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দোষীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করেছে বলেও জানা যায়। এ ব্যাপারে আহত রেজাউল শরীফ বলেন, ‘আমাকে যারা কুপিয়েছে, তাদের মধ্যে আয়নাল বেপারীকে চিনি। সে নিজে থেকে আমাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। তার সাথে আমার অনেক আগ থেকেই ঝামেলা চলছিল। এ কারণেই আমাকে খুন করতে চেয়েছিল।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে আয়নায় বেপারী বলেন, ‘আমি সকাল ৬টা থেকে আমার কাজের সাইডে ছিলাম। কিভাবে রেজাউলকে আমি জখম করবো। বরং তাকে যারা জখম করেছে, তাদের শাস্তি আমিও দাবী করি। আমার নাম বলে থাকলে সেটা ইচ্ছেকৃতভাবে বলা হয়েছে। আমি কোনভাবেই এতে জড়িত না।’ এ ব্যাপারে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সার্বিক পরিবহনের সাবেক দুই কর্মীর পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। যদি আহত পরিবার অভিযোগ দেয়, তাহলে দোষীকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চালানো হবে।’