দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানার পুলিশ ফেন্সিডিলসহ গাড়ি আটক করলেও আদালতের আদেশে ছেড়ে দিলেন গাড়ি। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৯৯ বোতল ফেন্সিডিল, ট্রাকসহ দুই জনকে আটক করেন। গত ২৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই রেজাউল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ ফুলবাড়ী থানার ঢাকা মোড় নামক স্থানে অবস্থান করে। সেই সময় দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি পুরাতন ৬ চাকা বিশিষ্ট চাল বোঝাই ট্রাক, যাহার রেজি নং-ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-০৪১৭, ট্রাকটি ঢাকা মোড়ে আসলে অবৈধ মাদকদ্রব্য রয়েছে সন্দেহে ট্রাকটি আটক করে এবং ট্রাকটি তল্লাশি করে ট্রাকটির তল্লাশিকালে সামনের কেবিনের উপরে ছাউনিতে বিশেষ কায়দায় রাখা একটি ট্রেচার কালো বড় ব্যাগ ও একটি অফিসিয়াল(ছোট) কালো ব্যাগ পলিথিন দ্বারা ঢেকে রাখা অবস্থায় পেয়ে নিচে নামিয়ে বড় ট্রেচার কালো ব্যাগের ভিতর হইতে ১৩৫ বোতল ও কালো অফিসিয়াল (ছোট) ব্যাগের ভিতরে ৬৪ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল দুটি ব্যাগে বিশেষ কৌশলে রাখা মোট ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে এবং দুইজন মাদক ব্যবসায়ীসহ একটি ট্রাক আটক করে। আটকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো- শ্রী মিলন চন্দ্র ও মাসুদ রানা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা উপরোক্ত ফেন্সিডিলগুলি মামলার পলাতক আসামী তরিকুল ইসলাম এর নিকট হতে ড্রাইভার মোস্তাকিম শাওন ও ড্রাইভার আশেদুর রহমান রাসেল সহ যোগসাযোশে ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে গাজীপুরে বিক্রয় করবে। ধৃত আসামীসহ পলাতক আসামীগণ দীর্ঘদিন যাবৎ মালবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন পরিবহনে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল বহন করে আসছিল। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, তাদের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, আদালতের আদেশে গাড়িটি মালিকের কাছে হস্তান্তর করি। উল্লেখ্য যে, আইন রয়েছে মাদকসহ আসামী এবং কোন যানবাহন আটক করা হলে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আলামত হিসাবে যানবাহন আটক রাখা হয়। যার প্রমাণ ফুলবাড়ী থানায় ৫ থেকে ৭টি গাড়ি এখন পর্যন্ত জব্দকৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

