ঢাকাWednesday , 29 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের সহকারী সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ

Link Copied!

সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, নারী নকল নবিশদের হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহার চরমে উঠেছে। এসব বিষয়ে অভিযোগ করেও কর্তৃপক্ষে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। নানাবিধ অভিযোগে বাচ্চুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। সাইফুল ইসলাম বাচ্চু জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে যেভাবে ছড়ি ঘোরান সেভাবেই চলে। জেলা রেজিস্ট্রারও বাচ্চুর বাইরে কথা বলেন না এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগিদের। সম্প্রতি আবেদ আলী নামের একজন ব্যক্তি নিবন্ধন শাখার মহাপরিদর্শক বরাবর বাচ্চুর দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার চেয়ে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্র জানায়, নকলনবিশ থেকে আসা অফিস সহকারি পদে যোগদানের পরে সাইফুল ইসলাম বাচ্চুকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে জেলা রেজিষ্ট্রার অফিস, জেলার ৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস একাই নিয়ন্ত্রণ করেন। জেলার ৭টি অফিস থেকে গড়ে মাসে ৪০০০ হাজার দলিল রেজিস্ট্রি হয়। এতে বাচ্চু দলিল প্রতি নেন ২০০ টাকা, মাসে ৩ হাজার, নকল প্রতি নেন ১৫০ টাকা। প্রতি মাসে পরির্শনে অফিস প্রতি দিতে হয় লাখ টাকা, ৩০ জন কর্মচারিকে প্রতিমাসে বাচ্চুকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে। জেলায় ১০০ জন নিকাহ রেজিস্ট্ররকে বছর ইনডেন্ট প্রতি দিতে ৩ হাজার টাকা, নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার নামে লাখ টাকা নিয়ে থাকেন বাচ্চু। অভিযোগে আরও জানা গেছে, জেলা অফিসে প্রতিবছর আসবাবপত্র কেনার জন্য যে বাজেট থাকে তার কোন কাজ না করে ভুয়া বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাৎ করেন বাচ্চু ও তার সিন্ডিকেট। সহকারি বদলিতে দিতে হয় ৫ লাখ টাকা, মোহরার ৩ লাখ টাকা ও পিয়ন পোস্টিংয়ে দিতে হয় ২ লাখ টাকা। দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়ন করতে জনপ্রতি দিতে হয় ১৫০০ টাকা। জেলায় লাইসেন্স আছে মোট ৪০০। তৃতীয় শ্রেণির একজন কর্মচারি হয়েও সাইফুল ইসলাম বাচ্চু সাতক্ষীরা শহরে নির্মাণ করেছেন আলিশান বাড়ি। কিনেছেন শত বিঘা জমি। কৌশলে নিজের ছেলেকে দিয়েছেন নকল নবিশে চাকরি। যদিও তিনি অফিস করেন না। বোনকে দিয়েছেন পদোন্নতি। বাচ্চু জেলা রেজিস্ট্রি অফিসকে নিজের বাড়ি মনে করেন। নিজের ইচ্ছামত করেন অফিস। অফিসের প্রধান সহকারী নুসরাত ফাতেমাকে দিয়ে কোন কাজ করান না। কম্পিউটার অপারেটরেরও একই অবস্থা। নিজেই করেন যাবতীয় কাজ। ভুক্তভোগীরা সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম বাচ্চু তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।