ঢাকাMonday , 27 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুন্দরবনে অবমুক্ত কুমিরের পিঠে বসানো হয়েছে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার

Link Copied!

জীবনাচরণ জানতে একটি কুমিরের পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে বাগেরহাটের সুন্দরবনের একটি খালে অবমুক্ত করা হয়েছে। রোববার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চরাপুটিয়া খালে কুমিরটি অবমুক্ত করা হয়। এ সময় করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির, আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) ম্যানেজার ও প্রকল্পের সমন্বয়কারী সারোয়ার আলম দীপুসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অবমুক্ত করা ৭ ফুট লম্বা কুমিরটির বয়স ১২ বছর। এই গবেষণার মাধ্যমে কুমির কোথায় যাচ্ছে ও জীবনাচরণ এবং খাদ্যাভাস সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানান আজাদ কবির। তিনি বলেন, সুন্দরবনে কুমিরের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। কুমিরের প্রজনন ক্ষমতাও কমে যাচ্ছে। ফলে কুমিরের জীবনাচরণ ও খাদ্যাভাস জানতে আমরা কুমির নিয়ে গবেষণা শুরু করেছি।আশা করি, এই গবেষণা কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও সুন্দরবনে কুমিরের সংখ্যা বাড়াতে কাজ করবে। এর আগে ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে ৪টি লোনা পানির কুমিরের শরীরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ৪টি স্থানে অবমুক্ত করা হয়। এর মধ্যে দুটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী কুমির ছিল। অবমুক্ত করা স্ত্রী কুমির দুটোর মধ্যে একটি সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের কুমির জুলিয়েট এবং যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ি এলাকার মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ির এলাকা থেকে ২০২২ সালে উদ্ধার করা কুমির যার নাম মধু। এছাড়া পুরুষ কুমির দুটোর মধ্যে একটি মাদারীপুর থেকে উদ্ধার করা এবং অন্যটি সুন্দরবনের হাড়বাড়িয়া এলাকায় ফাঁদ পেতে ধরা ছিল। এসব কুমিরের মধ্যে তিনটি কুমির এক মাস ধরে সুন্দরবনের বিশাল এলাকায় অবস্থান করলেও একটি কুমির সুন্দরবনের বিশাল এলাকা ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী তখন এক মাসের কাছাকাছি সময়ে ওই কুমিরটি ১৫০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরেছিল। অবমুক্তের প্রায় এক মাস পরে ১২ এপ্রিল রাতে চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ শৈলদাহ গ্রামের একটি মৎস্য ঘের থেকে কুমিরটি উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ। কুমির ৪টি এখনও সুন্দরবনের অভ্যন্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির।