দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির রামভদ্রপুর গ্রামে স্বামী মোকারাম হোসেনের পরকীয়া কারণে তার স্ত্রীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত্যু আজিজুল হকের পুত্র মোকারাম হোসেনের সাথে গত ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে অনুষ্ঠানিকতাকার মধ্যদিয়ে ৮ নং হাবড়া ইউপির পূর্ব শেরপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের কন্য মোছাঃ মকছুদা খাতুনের বিবাহ সম্পূর্ণ হয়। বিবাহরে পর তাদের সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। বিবাহের পর থেকে মোকারাম হোসেন তার স্ত্রী মোছাঃ মকছুদা খাতুনের সাথে সম্পর্ক ভালো ছিল। মোকারাম হোসেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ্যাসিন্টেট বি-পদে চাকুরী করেন। মোকারাম হোসেন গ্রামেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এর মধ্যে কিছুদিন আগে গ্রামে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শালিস হয়। এর পর মোকারাম হোসেন ঐ অপকর্ম থেকে সরে যায়নি। গত ২২/০১/২০২৫ তার স্ত্রী মোছাঃ মকছুদা খাতুনকে বাড়ীতে বেধম মারপিট করেন। এ সময় মকছুদা খাতুনের পরিবারের লোকজন ঘটনা জানতে পেরে ঐ দিনেই বিকেল সাড়ে ৫ টায় ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। বর্তমানে মকছুদা খাতুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। এই ঘটনায় মকছুদা খাতুনের মা বরাতুন খাতুন জানান বিবাহের পর থেকে আমার কন্যকে সে প্রায় সময় মারপিট করেন। এর পরেও আমরা তাকে কিছু বলি নাই। বর্তমানে তার গ্রামে অপর এক মেয়ের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে যাওয়ায় আমার মেয়েকে প্রায় সময় মারপিট করছে। একই কথা বলেন মকছুদা খাতুনের পিতা মতিয়ার রহমান। এই ঘটনায় মকছুদা খাতুনের পিতা মতিয়ার রহমান জানান, আমার মেয়েকে যেভাবে মারপিট করে আহত করেছে আমরা আইগত ব্যবস্থা নিব।

