ঢাকাThursday , 23 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এক বছরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার

Link Copied!

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এক বছরে সাড়ে ১০ হাজার রোগীকে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে বলে বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে। ১৯ জানুয়ারি রোববার দুপুরে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের ইনচার্জ সাদেকুর রহমান হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ একেএম মাহবুবুর রহমানের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায় ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ হাসপাতালে জলাতন্কের ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে ১০ হাজার ৪শ ৮৮ জনকে। বিশেষ করে কুকুরের কামড়ে আহত রোগীর চেয়ে বিড়াল আর অন্যান্য প্রাণীর কামড়ে আহত রোগীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ১০ হাজার ৪ শ ৮৮ জন রোগীর মধ্যে মাত্র ৮ জন পুরুষ রোগী বেশি। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন বিভাগে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ হাজার ৪৮৮ জনকে ভ্যাকসিন টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে কুকুরে কামড়ে আক্রান্ত ২ হাজার ৫৯১ জন। বিড়াল ও অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণ আক্রান্ত ৭ হাজার ৮৯৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ রোগের সংখ্যা ৫ হাজার ২৪৮ জন ও তরুণী ও মহিলা রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ২৪০ জন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের ইনচার্জ সাদেকুর রহমান জানান, বাড়িতে নারী ও তরুণীরা হাঁস মুরগি এবং গবাদি পশু পালন বাদ রেখে তারা বিড়ালকে নিজের সন্তানের চেয়েও বেশি লালন পালন করেন। আর এসব বিড়ালের মুখের আঁচড় ও কামড়ে আক্রান্ত হয়ে আমাদের কাছে এসে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন গ্রহণ করছে। আমরা বিড়ালের নখের ও কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের কে বিড়াল না পালনের পরামর্শ দিলে ও তা মানছে না। আর বিড়ালকে যদি বাড়িতে লালন-পালন করতে হয় তাহলে তাকে পশু হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। প্রায় সময় দেখা যায় তরুণী ও নারীরা বিড়ালকে এমনটাই যত্নবান করেন নিজের পোশাক দিয়ে পর্যন্ত ঢেকে কোলে তুলে চলাফেরা করে। যা নিজের সন্তানের প্রতি এতটা যত্ন নেন না।