সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে। বাংলা ভাষা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব আধুনিকতার প্রাণপুরুষ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১ তম জন্ম জয়জন্তী উপলক্ষ্যে যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী তীর্থভূমিতে ২৪ জানুয়ারী শুরু হচ্ছে ৭ দিনব্যাপী মধু- উৎসব মধুমেলা। এ উপলক্ষ্যে কবির জন্মভিটা মধুপল্লীকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। সাংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মেলা চলবে ২৪ জানুয়ারী থেকে ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত। মধুমেলায় বিনোদনের জন্য এবার থাকছে সার্কাস, বিচিত্রানুষ্ঠান, যাদুপ্রদর্শণী, মৃত্যকুপ, শিশুমেলা, নাগরদোলা, নৌকাদোলাসহ বিভিন্ন পণ্যের স্টল। এছাড়া মধুমেলায় আগত দর্শনার্থীদের বাড়তি বিনোদনের খোরাক মিটাতে কবি পৈত্রিক জন্মভিটা মধুপল্লীকে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। সরেজমিনে সাগরদাঁড়ী ঘুরে দেখাগেছে, কবির মাতৃভূমি পিতৃভূমির প্রতিটি স্থানকে পর্যাটকদের জন্য আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য রংতুলির পরশে রাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রত্বতত্ত্ব বিভাগের প্রধান সাগরদাঁড়ী মধুপল্লীর কাষ্টডিয়ান হাসানুজ্জামান বলেন, ২৪ জানুয়ারী শুরু হচ্ছে মহাকবি মাইকেল মধুসুদন দত্তের ২০১ তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ৭ দিনব্যাপী চলবে মধুমেলা। তাই আমরা সকলেই দিনরাত চেষ্টা করে মধুপল্লীর শোভা বর্ধনের কাজ করেছি। তিনি আরো বলেন মেলা উপভোগের পাশা-পাশি দর্শনার্থীরা মধুপল্লীতে ঢুকে জানতে পারবেন কবির পারিবারিক ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য-উপাথ্য। এ বিষয়ে মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক যশোর জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বলেন, এ বছর কবি ভক্ত ও পর্যটকদের উপস্থিতি বেশী থাকবে বলে আমরা আশা করছি। আর সেই কারণে পর্যপ্ত পরিমানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ও টহলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া সম্পুর্ণ মেলা প্রাঙ্গনকে সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকবে এবং কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একাধিক ভ্রাম্যমান আদালতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

