চাঁদপুরে সম্পত্তির জন্য চাচাকে খুন করে লাশ ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে দেয়া হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে এতে কোনো সন্দেহে নেই বলে জানিয়েছে চাঁদপুর নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম এস ইকবাল হোসেন। অফিসার ইনচার্জ কে এম এস ইকবাল হোসেন বলেন, সকাল ৯ টায় আমরা খবর পাই রঘুনাথপুর এলাকার ডাকাতিয়া নদীতে অজ্ঞাত ব্যাক্তির মৃতদেহ পাওয়া গেছে। তখন আমি থানা থেকে প্রথমে ফোর্স পাঠাই। পরে আমি নিজে ঘটনাস্হলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি। তখন দেখা যায় মৃত ব্যাক্তির ঘারের ডান পাশে ও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।প্রথমে আমরা লাশটিকে অজ্ঞাত হিসাবে উদ্ধার করলে ও দুপুর অনুমান ১২ টার দিকে মোবাইলে কল আসে পরিচয় সনাক্তের বিষয়ে। কল পেয়ে আমরা লাশটি মর্গে না পাঠিয়ে থানায় নিয়ে আসি। দুপুরে মৃতের স্ত্রী খোদেজা বেগম ও মেয়ে নৌ থানায় এসে লাশ সনাক্ত করে।তখন জানাযায় উদ্ধার হওয়া লাশের নাম সিরাজুল ইসলাম গাজী (৭০)।তার পিতার নাম মৃতঃ আশ্রাব আলী গাজী। তাদের বাড়ি বাগাদি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড মধ্য বাগাদী গাজী বাড়ি। মৃত সিরাজুল ইসলাম গাজীর স্ত্রী খোদেজা বেগম কান্না জরিত কণ্ঠে জানায়, তার ভাসুর সাইদুল হক গাজী গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় জমি বুঝিয়ে দিবে বলে বাড়ি থেকে মেবাইলে ডেকে নেয়। তখন তার স্বামী সিরাজুল ইসলাম গাজী বাড়ি থেকে নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। তারপর থেকে সে নিখোঁজ হয়। গ্রামের বাড়িতে ৪০ শতাংশ জমি তাদের দু ভাইয়ের। ২০ শতাংশ লিখে দেয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে ভাসুর সাইদুল হক গাজী, তিন ছেলে সাহাদাত গাজী, কামাল গাজী ও জাহিদ গাজী দেশিয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে দিয়েছে স্ত্রী খোদেজা বেগম অভিযোগ করেন। পুলিশ জানায়, নিহত সিরাজুল ইসলাম গাজীর ঘারের ডান পাশে ও দু পায়ে জখম রয়েছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোদেজা বেগমের ভাসুর সাইদুল হক গাজীকে থানায় নিয়ে এসেছি। ময়নাতদন্তের পর সিরাজুল ইসলাম গাজীর লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।পরিবারের পক্ষ থেকে হয়তো দাফনের পর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।নিহত সিরাজুল ইসলাম গাজী ৪ মেয়ে ১ ছেলে সন্তানের জনক। তার একমাত্র প্রবাস জীবন যাপন করছে।

