ঢাকাWednesday , 15 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মতলব কলেরা হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ, ৭০ ভাগ রোগীই শিশু

Link Copied!

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় অবস্হিত আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) হাসপাতালে বেড়েছে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা। সরজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ঠাণ্ডাজনিত কারণে বাড়ছে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ। গেল ১৫ দিনে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার রোগী। এর মধ্যে ৭০ ভাগ রোগীই হলো শিশু। হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা ডাঃ আল ফজল খান বলছেন, দেশের চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও শরীয়তপুরের প্রায় ৫৮টি উপজেলা থেকে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ছুটে আসেন রোগীরা। ৩০ ভাগ রোগীই কয়েকঘণ্টা চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। প্রতিদিন আড়াই শ’ থেকে তিন শ’ রোগী ভর্তি হয়। তাদেরকে স্যালাইনসহ বিভিন্ন ওষুধপত্র বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এখানে ৭০ ভাগ রোগীই শিশু। ভর্তির এ সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে তিনগুণ বেশি। ডাঃ আল ফজল খান রোগী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সবাই একসাথে আইসিডিডিআরবি হাসপাতালে না গিয়ে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন। ঠাণ্ডা, দূষিত পানি এবং দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে এমনটি হচ্ছে। আইসিডিডিআরবির মতলব হাসপাতাল সূত্র জানায়, গেল ১৫ দিনে শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু ভর্তি হয়েছে ৪ হাজার ১২৫জন। ভর্তি হওয়া শিশুদের বাড়ি চাঁদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এবং আশপাশের জেলায়। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার প্রতিটি ওয়ার্ড ডায়রিয়া রোগীতে ভরপুর। হাসপাতালের বারান্দায়ও অনেক রোগী। রোগীদের অধিকাংশই শিশু। চিকিৎসকেরা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা ডাঃ আল ফজল খান বলছেন, দেশের চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও শরীয়তপুরের প্রায় ৫৮টি উপজেলা থেকে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ছুটে আসেন রোগীরা। ৩০ ভাগ রোগীই কয়েকঘণ্টা চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। প্রতিদিন আড়াই শ’ থেকে তিন শ’ রোগী ভর্তি হয়। তাদেরকে স্যালাইনসহ বিভিন্ন ওষুধপত্র বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এখানে ৮০ ভাগ রোগীই শিশু। ভর্তির এ সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তিনগুণ বেশি। ডা. আল ফজল খান রোগী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সবাই একসাথে আইসিডিডিআরবি হাসপাতালে না গিয়ে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন। ঠাণ্ডা, দূষিত পানি এবং দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে এমনটি হচ্ছে। আইসিডিডিআরবির মতলব হাসপাতাল সূত্র জানায়, গেল ১৫ দিনে শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু ভর্তি হয়েছে ৪ হাজার ১২৫জন। ভর্তি হওয়া শিশুদের বাড়ি চাঁদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এবং আশপাশের জেলায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন, ওষুধ ও চিকিৎসা-সরঞ্জাম রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এবং শিশুদের প্রতি যত্নবান থাকলে এ রোগ এড়ানো সম্ভব। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে চাঁদপুর সদরের ২৬৬ জন, কচুয়ার ২৮৭ জন, মতলব উত্তরের ১৪৫ জন, মতলব দক্ষিণের ১১০জন, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪০জন, হাজীগঞ্জের ১৬৫ জন, কুমিল্লার বরুড়ার ১৯৩ জন, ব্রাহ্মণপাড়ার ৮৫ জন, বুড়িচংয়ের ১৬৪ জন, চান্দিনার ২৫৮ জন, কুমিল্লা সদরের ১৫৬ জন, কুমিল্লা সদরের (দক্ষিণ) ১২৪ জন, লক্ষ্মীপুর সদরের ১৩২ জন ও রামগঞ্জের ৯৭ জন। বাকিরা এসেছে লক্ষ্মীপুর, সিলেট, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে। চিকিৎসক আল ফজল খান আরও বলেন, শূন্য থেকে ছয় মাস বয়সী শিশুদের মায়ের বুকের দুধ ও নিয়ম করে পরিমিত খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। ছয় মাসের অধিক বয়সী শিশুদের খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি প্রতিদিন একটি করে বেবি জিংক ট্যাবলেট এক চামচ পানিতে গুলিয়ে ১০ দিন খাওয়াতে হবে। স্যালাইন খাওয়ানোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। পূর্ণ এক প্যাকেট স্যালাইন অবশ্যই আধা লিটার পানিতে গুলে নিতে হবে। আক্রান্ত শিশুদের ডাবের পানি, চিড়ার পানি ও স্যুপ খেতে দিতে হবে। এ রোগ সারতে ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগতে পারে।