জয়পুরহাট ক্ষেতলাল উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের সমন্তাহার গ্রামের কাঠ ব্যাবসায়ী রফিকুল ইসলাম বাবুয়ের নিকট চাঁদাবাজী করার অভিযোগে ওই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আবু জাফর ফাইটকে গণধোলাই দেয় চৌমুহনী বাজারের স্থানীয় জনগণ। গত শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় চৌহমনী বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে৷ । এ ঘটনায় ক্ষেতলাল চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ও মিনিগাড়ি গ্রামের বাসিন্দা তোরাফ হোসেনের ছেলে আবু জাফর ফাইট নিজ গ্রামে কাঠ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বাবু ওই গ্রামের মেহেদির গাছ ক্রয় করে। ওই গাছ কর্তন করতে গেলে যুবলীগ নেতা ফাইট বাবুর নিকট ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করলে ভয়ে সে ২২ হাজার টাকা চাঁদা দেয়। অবশিষ্ট টাকা সময় মতো দিতে না পেরে কর্তন কৃত গাছের কান্ড আটক দেয় চাঁদাবাজ আবু জাফর ফাইট। এই নিয়ে কাঠ ব্যবসায়ী বাবু ও চাঁদাবাজ ফাইটের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ফাইট বাবুকে মারধর করলে তার আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চাঁদাবাজ ফাইটকে গণধোলাই দেয়। বাজার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়৷ আবু জাফর ফাইট চেয়ারম্যান মশিউর রহমান শামিমের ডান হাত৷ গত ৪ এ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোগী হিসাবে জয়পুরহাট আওয়ামী লীগ পার্টি অফিসের সামনে সরাসরি ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান করেছিলেন৷ অথচ তার নামে কোন মামলা দেওয়া হয়নি৷ জনি, সবুজ, কসাই বাবু একাধিক দোকানিরা বলেন বাজারে কোন খাসি বা গরু জবাই হলে উনি উপস্থিত হয়ে কলিজা মাথা দিল স্বল্প মূল্যে ওনাকে দিতে হয়৷ তার দলীয় দাফটে আমরা কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাই না৷ গত কয়েক বছর যাবত এই বাজারে সুকৌশলে বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি করত আমরারের বিচার চাই৷ এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আবু জাফর ফাইটের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মশিউর রহমান বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।

