পৌষ মাসের মাঝামাঝিতে এসে শীত তার পুণ্য ক্ষমতা নিয়ে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। হিমেল বাতাস ও কনকনে শীত জেগে বসেছে উত্তরের এই জনপদে। কনকনে বাতাসে বাড়ছে শীতের অনুভূতি। গত কয়েকদিন ধরে জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া তথ্যমতে, আগামী দিনগুলোতে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাবে। এতে নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা কমে শীত বাড়ছে।এ মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। সেই সঙ্গে কুয়াশা পরিমাণও বাড়ছে। বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এ মৌসুমে আজকে বেশি ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে দিনের তুলনায় রাতে আরো বেশি শীত অনুভব করছেন। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসার মতো শীত অনুভব করছেন তারা। শীত নিবারণের জন্য খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধি। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। এদিকে উত্তর হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার দাপটে বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘হিমালয়ের কাছে হওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। বুধবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

