যশোরের কেশবপুর উপজেলার ধর্মপুর দারুছ ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার গভার্নিংবডি গঠনের লক্ষ্যে সাধারণ ও সংরক্ষিত অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গ্রহণের জন্য ঘোষিত তফসিলে ১০ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র গ্রহন ও জমাদানের তারিখ নির্ধারণ, ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়ন বাছাই ও বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রনয়ন, ১৮ ডিসেম্বর আপিল, ১৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার ও প্রত্যাহার পরবর্তী বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রনয়ন, ৩১ ডিসেম্বর ভোট গ্রহনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সেই মোতাবেক আইন শৃংখলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উপস্থিতিতে (৩১ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মাদ্রাসা কক্ষে বিরতিহীন ভাবে শান্তিপুর্ণ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সংরক্ষিত ২ জন মহিলা সদস্য প্রার্থীর মধ্যে ১ জন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় হিরা খাতুন বিনা প্রতিদন্দ্বীতায় মহিলা অভিভাবক নির্বাচিত হয়। তিন স্তরের বাকী ৪ জন সাধারণ অভিভাবক সদস্য পদের বিপরীতে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। এই নির্বাচনে ২৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ১২০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ২২ ভোট বাতিল হিসাবে গণ্য করা হয়। মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল সিরাজুল ইসলামের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে প্রথম এবতেদায়ী স্তরে ১০৫ ভোট পেয়ে হাবিবুর রহমান অভিভাক সদস্য নির্বাতি হয়। দ্বিতীয় দাখিল স্তরে ১০১ ভোট পেয়ে শওকত আলী প্রথম ও ৮৯ ভোট পেয়ে সালাম সরদার ২য় অভিভাব সদস্য নির্বাচিত। নিকটতম ২ প্রার্থীর মধ্যে নওশের আলী পেয়েছে ১ ভোট ও কামরুজ্জামান পেয়েছে ৬ ভোট। তৃতীয় আলিম স্তরে ৯ ভোট পেয়ে ইদ্রিস আমিন অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত। নিকটতম মিজান মোড়ল পেয়েছে ১৫ ভোট। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার তোরাবুল ইসলাম ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা সচিব মিজানুর রহমান। প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ এস এম জিল্লুর রশীদ। তিনি বলেন কোন রকম বিশৃংখলা ছাড়াই অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

