ঢাকাThursday , 26 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাসিনার সময়ের অনিয়ম দুর্নীতির ফাইল ধ্বংস করতেই পরিকল্পিতভাবে সচিবালয়ে অগ্নিকান্ড : সারজিস আলম

Link Copied!

হাসিনার সময়ের অনিয়ম দুর্নীতির ফাইল ধ্বংস করতেই পরিকল্পিতভাবে সচিবালয়ে অগ্নিকান্ড ঘটনো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সারজিস। এ সময় তিনি বলেন, আমরা আমাদের জায়গা থেকে মনে করি সচিবালয়ে যেভাবে আগুন লেগেছে এটার ধরণ ও অবস্থান যেমন এটা কখনোই সাধারণভাবে বা দুর্ঘটনাবশত হতে পারে না। আমরা মনে করি ষড়যন্ত্র করে প্লান করে এই আগুনটি লাগানো হয়েছে। এই আগুনে দেখবেন সরকারে আমাদের যারা প্রতিনিধিত্ব করছে নাহিদ ও আসিফ মাহমুদের অফিস আগুনে জলে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। খুনি শেখ হাসিনার সময়ে যারা তার দালাল ছিলো, দুর্নীতি অপকর্ম করেছে এগুলোর ফাইল নিয়ে যখন তারা তদন্ত করছিল এবং ফাইলগুলো সংরক্ষণ করছিল বিচারের জন্য ঠিক তখনি প্লান করে সচিবালয়ে অগ্নিকান্ড ঘটানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এতো বড় একটা বিপ্লবের পরে আমাদের যে বিপ্লবী ভূমিকা পালন করার কথা ছিলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। যে বিপ্লবী ভূমিকা পালন করার কথা ছিলো আমরা এখন পর্যন্ত সেটি হতে পারিনি। আমরা বেশি ভালো সাজতে গিয়েছি। সুশীল হতে গিয়েছি। সুযোগ দিতে গিয়েছি। কিন্তু যাদের রক্তে দালালি, যাদের রক্তে দাসত্ব, যারা এতো বছরের অপকর্মের সাথে জড়িত তাদেরকে যতই সুযোগ দেন, লাভ নেই। আমাদের এখন সময় এসেছে এই বিপ্লবকে ধারণ করে বিপ্লবী ভূমিকা নেয়ার। সচিবালয় হোক, আমলাতন্ত্র হোক, দেশের যে কোন সরকারি অফিস হোক যে কেউ যদি কোন অন্যায়, অনিয়ম, অপকর্ম, দুর্নীতি, ঘুষ এসবের সাথে জড়িত থাকে তাদেরকে চেয়ার থেকে টেনে তুলতে হবে। এই সুযোগ আর দেয়া যাবে না। ৩, ৪, ৫ আগস্টে যারা খুনি হাসিনার পক্ষে স্লোগান দিয়েছিল তারা এখনো সচিবালয়ে বসে কিভাবে অফিস করে? অথচ এই আন্দোলন সফল না হলে তাহলে ওই খুনি হাসিনার দোসররাই আমাদের জেলে ভরার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করতো। যারা এতো দিন বছরের পর বছর ধরে ব্যক্তিস্বার্থকে সামনে রেখে দেশ ও দেশের মানুষের সাথে গাদ্দারি করেছে এসকল তোষামোদকারী দালাল দাসদের অবিলম্বে ওই চেয়ার থেকে অপসারণ করতে হবে। আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ও হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করতে না পারি তাহলে ওই খুনিদের আবারো দেশে পদরাচরণা দেখা যাবে। সবিচালয়ের এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের দৃশ্যমান বিচারের আওতায় আনতে হবে। এর পাশাপাশি এমন ঘটনা আর যেন না হয় সে জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারসহ রাজপথে যারা রয়েছে তাদের সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করতে হবে। ভারতের কিছু নিউজ চ্যানেল ও মেরুদন্ডহীন কিছু উপস্থাপক যাদের চেহেরা দেখলে মাথায় বিনোদন আসে তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে একটি জিনিস মনে করি বাংলাদেশে যতটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে তার দশ ভাগের একভাগে নেই ভারতে। বাংলাদেশ হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাইয়েরা যতটা নিরাপদ, আমরা যতটা ভাই বন্ধুর মতো থাকি ওই ভারতে মুসলমানরা কখনোই ততটা নিরাপত্তা পায় না। মোদী উগ্র সাম্প্রদায়িক একজন প্রধানমন্ত্রী। তিনি গুজরাটের মুসলমানদের রক্তের উপর দিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু আমাদের এই সম্প্রীতিকে বা কোন দুর্ঘটনাকে কেউ যদি অস্থিতিশীল পরিবেশ দেখানোর জন্য ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তারা মিডিয়া না মিডিয়া নামক দালাল। তারা পেইড এজেন্ট। যারা আওয়ামী লীগের মতো বিভিন্ন দলের গোষ্ঠির টাকা খেয়ে সাংবাদিকতা করে। এরকম দালাল বা পেইড এজেন্টর কোন নিউজ আমাদের বিন্দুমাত্র বিভ্রান্ত করে না। তবে ভারতে যারা সাংবাদিকতা ধারণ করেন নিজেদের আত্মসম্মানের জন্য তাদের এরকম ভন্ডদের প্রতিহত করা উচিত। কারণ তারা তাদের দেশের সংবাদ মাধ্যমের স্টানডার্ট এরকম ফালতু কাজগুলোর মাধ্যমে কমিয়ে আনছে। আমরা চাই ইন্টারন্যাশনাল যেসব মিডিয়া রয়েছে তারা তাদের স্টানডার্ট মেইনটেন করবে।