ঢাকাThursday , 26 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেশবপুরে সরকারি সড়কের জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ

Link Copied!

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভান্ডারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদ সরকারি সড়কের উপর দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপশি ২ শতক জমি নিয়ে আদালতে মামলা থাকা সত্বেও ওই জমির মাথায় ৩টি দোকানঘর উচ্ছেদ করে ওই জমিও প্রাচীরের মধ্যে নিয়েছে বলে জানা গেছে। ওই জমিতে আদালতের নিষেজ্ঞার মামলা চলমান রয়েছে বলে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাড. ওজিয়ার রহমান সাংবাদিকদের জানান। গত ৩০ অক্টোবর যশোর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ওই দোকানঘর গুলি উচ্ছেদ করা হয়। যার মিস উচ্ছেদ কেস নং- জেপ্রকা ১৮-২০২৩-২৪। মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫৭ নং ভান্ডারখোলা মৌজায় নালিশী সিএস ২৫৮ নং খতিয়ানের বেনালিশে জমিতে আকিমুদ্দীন গং ভিন্ন ভিন্ন স্বতাংশে সাবেক ৯১৪ নং দাগে ১৬ শতক জমিতে সানাউল্লাহ, জোহর আলি, আঃ লতিফ তুলানাংশে মালিক। ওই জমির মধ্যে সানাউল্লার ৫.৩৩ শতক জমি তার মৃত্যুর পর তার ২ কন্যা ফতেমা ও রহিমা ওয়ারেশ সূত্রে ১৩/০৪/১৯৬০ তারিখে ২৬৫২ নং-কবলা দলিল মুলে ০২ শতক জমি সখিনা খাতুনের নিকট বিক্রয় করেন। পরবর্তিতে সখিনা ১৫/০৭/১৯৮৬ তারিখে ৫২৪২ নং- কোবলা দলিল মুলে মামলার বাদী বাবুরলী গাজির কাছে ওই জমি হস্তান্তর করেন। এই সম্পত্তি তালা থানার ইসলামকাটি সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ২৯/১১/১৯৫৯ তারিখে ৯৪১ নং- দলিল মূলে বিবাদী গংদের পূর্ব পুরুষ মৃত আব্দুর রহমানের নামে দলিল দাখিল করে গেলে আরএস রেকর্ড করে নেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। বাদীপক্ষ দাখিলকৃত মামলায় বলেছেন ইসলামকাটি থেকে যে দলিল দেখানো হয়েছে তা জাল। স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই দলিল দাখিল করে বর্তমানে আপীল মামলার বাদী গংদের বিরুদ্ধে যশোর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় মশিয়ার গংরা পরাজিত হয়। এরপর বিবাদী পক্ষরা বাদী হয়ে গত ৮/১১/২০২৩ তারিখে ল্যান্ডসার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল ৩৬/২৩ নং মামলা করেন। যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আপীল মামলার বাদী মশিয়ার রহমান বলেন, ২ শতক জমি নিয়ে আদালতে মামলা থাকা সত্বেও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে প্রশাসন তাদেরকে উচ্ছেদ করায় গত ৫/১১/২৩ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে একটি নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়েছে। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ তার জমিসহ সরকারি সড়কের প্রায় ৬শতক জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সৈয়দা লুবিনা খানম বলেন, রাস্তার দু’পাশেই স্কুলে জমি, জেলা পরিষদ উত্তর পাশ থেকে স্কুলের জমির উপর দিয়ে সড়ক নির্মাণ করেছে। সে কারণে দক্ষিণ পাশে সড়কের জমি নিয়ে আমরা প্রাচীর নির্মাণ করেছে। এছাড়া মশিয়ার গংদের বিরুদ্ধে মামলার রায় পেয়ে ওই জমি বুঝে নেয়া হয়েছে। মশিয়ার গংরা আপীল করেছেন জিতলে ওই জমি ছেড়ে দেয়া হবে।