ঢাকাThursday , 19 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেশবপুরে মাচায় পটল চাষে ঝুকছে কৃষকেরা : বারী-১ জাতের পটলে ফলন বেশী ও খরচ কম হওয়ায় চাষীরা বেজায় খুশি

Link Copied!

যশোরের কেশবপুরে মাচা পদ্ধতিতে পটল চাষ করে অধিক ফলন পাওয়ায় উপজেলার সবজি চাষীরা মাচায় পটল চাষে ঝুঁকে পড়েছে। পটল র্দীর্ঘ মেয়াদী ফসল হলেও দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকরা দিন দিন মাচায় পটল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। মাটি থেকে দুই-তিন ফুট উঁচুতে তার-বাঁশের তৈরি মাচার উপরে পটোল ক্ষেতে ফুল ছোযাতে ভোর হলেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে চাষীরা। প্রতি সপ্তাহে একদিন পটোল তুলে বাজারজাত করেন। এসব পটল কেশবপুর বাজারসহ যশোর, খুলনাসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে। প্রতি কেজি পটল ৪০ থেকে ৫০টাকায় বিক্রি করে চাষীরা বেজায় খুশি। পটল একবার চাষ করলে একাধারে ২/৩ বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বারি পটল-১’ ও ‘বারি-২’ জাতের দুটি উচ্চ ফলনশীল পটলের আবিষ্কার করেছে। বারি পটল-১ পটোল আকারে ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি লম্বা, বেড় প্রায় ১.৫ ইঞ্চি। বারি পটল-২ এর আকার ও বৈশিষ্ট্য ৩.৫ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা, বেড় ১.৫ থেকে ১.৭৫ ইঞ্চি হয়। প্রতিদিন সকালে সূর্য্য উঠার আগে পুরুষ ফুল দিয়ে মায়া ফুলকে ছোঁয়াতে হয় পরাগায়ন করাতে । পরাগায়ন করাতে পারলে পটলে গ্রোথ ভাল হয়। সম্প্রতি বন্যায় কেশবপুরে ৭৮৬৪ হেক্টর জমির সবজি নষ্ট হলেও উপজেলার আলতাপোল চারের মাথা এলাকা অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় এখানকার সবজির কোনো ক্ষতি হয়নি। এলাকার চাকরীজীবী জি. এম. মনিরুজ্জামান জানান, তিনি এ মৌসুমে ১২ শতক জমিতে পটলের আবাদ করে বাম্পার ফলন পাওয়ায় আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার দেখে এ অঞ্চলের অধিকাংশ সবজি চাষী পটলের আবাদ শুরু করেছে এবং স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বলেন, পটল চাষের কোন লক্ষ্যমাত্রা না থাকলেও গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি জমিতে পটল আবাদ হয়েছে। কৃষকদের লাভবান করতে দিক নির্দেশনাসহ সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। পটল আবাদে খরচ কম লাভ বেশি হয়ে থাকে। যে কারণে দিন দিন পটোলের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।