ঢাকাWednesday , 18 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের প্রতিবাদ

খুলনা ব্যুরো
December 18, 2024 10:07 pm
Link Copied!

খুলনার স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সাবেক বিএনপি নেতা বাদশা খান। তিনি লিখিত বক্তব্যে দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, আমি বাদশা খান, অধ্যক্ষ খুলনা লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ। আমি এবং আমার পরিবার জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম বিধায় আওয়ামী লীগের দোসরগণ নানা চক্রান্ত শুরু করে। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে আমার সম্পর্কে খারাপ ধারনা সৃস্টির মাধ্যমে আমাকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করান। পরে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ম্যানেজিং কমিটি আমাকে পুনর্বহাল করলেও ফ্যাসিবাদি গোষ্ঠী আমাকে বিদ্যালয়ে ঢুকতে দেয়নি। আমাকে আমার দায়িত্ব পালনের জন্য তৎকালিন সভাপতি মোঃ তবিবুর রহমান পরিচালক, স্থানীয় সরকার, খুলনা বিভাগ, খুলনা নিজে আমাকে প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গেলেও ঐ মহলটি পেছন থেকে কলকাঠি নেড়ে আমাকে অফিস করতে দেয়নি। আমাকে বিদ্যালয়ের বাইরে রেখে কোন রকম তথ্য উপাত্ত ছাড়া এক তরফা ভাবে তদন্ত করেও আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ দিতে পারেনি। আমি বলেছি আমাকে সুযোগ দিলে প্রতিটি অভিযোগের সন্তোষজনক ও যুক্তিনির্ভর উত্তর দিতে পারবো। কিন্তু তারপরও আমাকে কোন আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়নি। এরপরও আমার বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রমানিত হয়নি। এরপর সভাপতি তাদের সাথে না পেরে শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করেন এবং একপর্যায়ে নিজেই সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে বিভাগীয় কমিশনার স্যারের নিকট অপারগতা প্রকাশ করেন। পরিশেষে এলাকার গণ্যমান্য লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ৮ ডিসেম্বর আমাকে প্রতিষ্ঠানে আমার দায়িত্ব পালন করার ব্যাবস্থা করেন। ফ্যাসিস্ট ও আওয়ামী দোসরগণ বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে আমার মানহানিকরার জন্য খুলনার স্থনীয় একটি পত্রিকায় সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করেছেন। আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তা আমার গভর্নিং বডি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশ করে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার কোন অধিকার কারোর নেই। এ ব্যাপারে আমি আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এবং আমার পরিবারের সাথে কখনো আওয়ামী লীগের দূরতম সম্পর্ক ছিলো না এবং বর্তমানেও নেই। আওয়ামী সরকার বাংলাদেশের সকল শিক্ষকদের মুজিব কোট পড়তে বাধ্য করেছিলো। আমিও সরকারের আদেশ পালনে কোট পড়তে বাধ্য হয়ে ছিলাম, বিষয়টি সর্বজন জ্ঞাত। আমি বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির ( সেলিম ভূইয়া গুপের) কালিয়া উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ছিলাম। জিয়া পরিষদের নড়াইল জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কালিয়া উপজেলা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। গত ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি বৈঠার তান্ডবের শিকার। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া আমাকে পুলিশ উদ্ধার করে খুলনা হাসপাতালে পাঠালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বেঁচে যাই আমি। সেই আমি আজ ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সাজানো নাটকের শিকারে পরিনত হয়েছি। এরপরও যদি বিএনপির কেউ আমার সম্পর্কে না জেনে ভুল বুঝে থাকেন তাদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ আজ থেকে আপনাদের ভাইকে আর ভুল বুঝবেন না এবং বিএনপিকে পুঁজি করে আমার বিরুদ্ধে যে বা যারা এই ধরনের মিথ্যা রিপোর্ট করেছেন আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।