ঢাকাSunday , 15 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশ ঘিরে ভারতীয় মিডিয়ার ‘মিথ্যাচার বাস্তবতা ভিন্ন

Link Copied!

ইসকন ভক্ত হওয়াই অপরাধ! ভিটে ছাড়তে বাধ্য হয় নাবালিকাকে এমন শিরোনামে সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে সত্যতা জানতে রবিবার দুপুরে সরেজমিনে পঞ্চগড় সদর উপজেলার পূর্ব জালাসি এলাকায় যাওয়া হয় সেই তরুনীর বাড়িতে। সেই মেয়ের অভিভাবকেরাই জানান আমাদের মেয়েকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মিথ্যা, গুজব ছাড়া আর কিছুই নয় । সেই নিউজে আমার সন্তান একটা কথাও বলেনি সাংবাদিকেরা সব বলতেছে। কেনো এইভাবে মিথ্যা, গুজব ছড়ালো জানিনা। আমরা মোবাইলে এইসব নিউজ দেখে বিস্মিত। তাঁর এমন নিউজ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে জেলা জুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয় হিন্দুরাও এমন নিউজের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সম্প্রতি ভারতের রিপাবলিক বাংলা টিভির নিউজে বলা হয় “ইসকন ভক্ত হওয়াই অপরাধ! ভিটে ছাড়তে বাধ্য হয় নাবালিকা। বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার বাসিন্দা নাবালিকা। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি ইউনূসপন্থীদের। জলপাইগুড়ির বেলাকোবায় আসছিল নাবালিকা। সীমান্ত পেরোতেই আটক অসহায় নাবালিকা নিউজ প্রকাশ করে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারতীয় গণমাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত ভিডিওতে মেয়েটির নাম প্রিয়ন্তী রায় প্রমি (১৫) তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে মেয়েটির নাম বলা হচ্ছে অর্পিতা রায়। সে পঞ্চগড় সদর উপজেলার জ্বালাসী এলাকার জয়দেব চন্দ্র রায় ও অনুরাধা রানীর মেয়ে। প্রমি পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। বেশ কয়েক বছর ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন প্রমি। হঠাৎ করে চোখের সমস্যা বেড়ে যায়। চলমান পরিস্থিতিতে ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার কারণে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অবস্থানরত পিসির বাড়িতে যায় সে ৷ কিন্তু সীমান্ত পার হওয়ার সময় ভারতের বিএসএফের কাছে আটক হয় প্রমি। ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে মেয়েটি প্রিয়ন্তী রায় প্রমি বলে নিশ্চিত করেছেন প্রমির বাবা জয়দেব চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন প্রমি। হঠাৎ করে চোখের সমস্যা বেড়ে যায়। চলমান পরিস্থিতিতে ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার কারণে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অবস্থানরত পিসির বাড়িতে মেয়েকে চিকিৎসার জন্য পাঠাই। আমি এবং আমার পরিবার কেউ আতঙ্কে নাই। কেউ আমাদের উপর অত্যাচার এবং ভয় ভীতি দেখায় নাই। আমি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছি। ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনার জন্য লজ্জিত। প্রিয়ন্তী রায় প্রমি মা অনুরাধা রানী বলেন, ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত নিউজে আমার সন্তান একটা কথাও বলেনি সাংবাদিকেরা সব বলতেছে। কেনো এইভাবে মিথ্যা, গুজব ছড়ালো জানিনা। আমাদের পরিবারের সাথে কোন অন্যায় হয়নি। কেউ ভয় ও দেখায়নি। শ্রী শ্রী রাধামাধব মন্দির ইসকনের অধ্যক্ষ বিদ্যা নিধীগোর দাস বলেন, আমাদের কেউ হুমকি ধমকি দেয় না। আমরা শান্তিতে আছি। হিন্দু-মুসলমান একসাথে বসবাস করে থাকতে চাই। পঞ্চগড় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, আমরা সরেজমিনে গিয়ে সেই পরিবারের সাথে কথা বলেছি এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। তাদের মেয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছে। আমরা সব সময় তাদের সাথে যোগাযোগ রাখছি। হিন্দু কমিউনিটির নেতৃবৃন্দদের সাথে যোগাযোগ রাখছি।