ঢাকাFriday , 13 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেশবপুরে জলাবদ্ধতায় ৫৬ হাজার বিঘা জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত, পানিবন্দী লক্ষাধিক মানুষ।

Link Copied!

যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতায় ওই বিলের প্রায় ৫৬ হাজার বিঘা জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এছাড়া, দীর্ঘ ৫ মাস ধরে ওই ৬ ইউনিয়নের ৫৮ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ এখনও পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ২৭ বিল এলাকার হাজারও কৃষক সেচ কমিটি করে বিল খুকশিয়ার ৮ ব্যান্ড স্লুইচ গেটে ৩০টি বৈদ্যুতিক সেচ পাম্প স্থাপণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সেচ পাম্প দিয়ে বন্যার পানি নিষ্কাশন করে কৃষকরা আদৌ বোরো আবাদ করতে পারবে কি না তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ওই এলাকার বানভাসি মানুষেরা।
কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার ২৭ বিলের পানি বিল খুকশিয়ার ডায়ের খালের ৮ ব্যান্ড স্লুইচ গেট দিয়ে হরি নদীতে নিষ্কাশিত হয়ে থাকে। কিন’ হরি নদী ও তার সংযোগ ডায়ের খালের ৮ ব্যান্ড স্লুইস গেট দীর্ঘদিন পলিতে ভরাটের কারণে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়ার ও সুফলাকাটি ইউনিয়নের ২০ গ্রাম ও মনিরামপুরের শ্যামকুড়, খানপুর, দূর্বাডাঙ্গা ও মনোহরপুর ইউনিয়নের ৩৮ গ্রামসহ ৫৮ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ দীর্ঘ ৫ মাস ধরে পানিবন্দী জীবন যাপণ করছে।
পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই এলাকার জনগণ ৩ যুগ ধরে সেচ পাম্পের সাহায্যে পানি নিষ্কাশন করে ২৭ বিলে বোরো আবাদ করে আসছে। গত জুলাই ও আগস্টের ভারী বর্ষনে ২৭ বিলে স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮ অক্টোবর ২৭ বিল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি ৫ দফা দাবিতে পানি সম্পদ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এছাড়া, ২৩ অক্টোবর পাঁজিয়া বাজারে দুই উপজেলার হাজারও বানভাসিদের সমাবেশে পাঁজিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মকবুল হোসেন মুকুলকে আহবায়ক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পানি সেচ প্রকল্প কমিটি গঠন করা হয়।
কানাইডাঙ্গা গ্রামের মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধ জমির মালিকরা বিঘা প্রতি ৫’শ টাকা করে ও অবশিষ্ট টাকা ঘের মালিকরা দিয়ে এ সেচ কার্য চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
এ বিষয়ে সেচ কমিটির আহবায়ক মকবুল হোসেন মুকুল বলেন, হরি নদীসহ পলিতে বিল খুকশিয়ার ডায়ের খালের ৮ ব্যান্ড স্লুইস গেট ভরাট হয়ে যায়। স্বেচ্ছাশ্রমে জনগণ স্লুইস গেটের পলি অপসারণ করে সচল করলেও নদীর তলদেশ উঁচু থাকায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। এ অবস্থায় সেচ পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অচিরেই বৈদ্যুতিক সেচ পাম্প স্থাপণ করে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
কেশবপুর পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সুমন শিকদার বলেন, কেশবপুরের জলাবদ্ধতা নিরসনে হরিহর, বুড়িভদ্রা, আপারভদ্রা ও হরি নদীর ভরাটকৃত পলি স্কাভেটর দিয়ে অপসারণ কাজ চলমান রয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলে পানিবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে।