ঢাকাThursday , 12 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডেন্টাল ডাক্তার আল-আমিন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

Link Copied!

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ভুয়া ডেন্টাল ডাক্তার পোস্টে ভুয়া লেখে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে থানায় পল্লী দন্ত চিকিৎসক আল আমিনের স্ত্রী শারমিন সুলতানা ধর্ষণ চেষ্টার মিথ্যা মামলা করেছে ভুক্তভোগী গোলাম রব্বানী বাচ্চু সাহা আনতাজ মন্ডলের বিরুদ্ধে। বুধবার ১১ ডিসেম্বর বিকেল ৫ টায় ক্ষেতলাল মধ্যবাজারে পল্লী দন্ত চিকিৎসক শারমিন ও তার স্বামী নূর আল আমিনের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ক্ষেতলাল বণিক সমিতির সভাপতি জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি সহ-সভাপতি ও ব্যবসায়ী সর্ব শ্রেনীর মানুষজন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মিথ্যা ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগকারী শারমিন সুলতানা একজন পল্লী দন্ত চিকিৎসক। তিনি বেসরকারি সিট ফাউন্ডেশন ডেন্টাল বিষয়ে ৩ বছরের ডিপ্লোমাধারী। নিজ বাসায় চিকিৎসার সরঞ্জাম সহ রোগীদের নিরবে নিভৃতে অপ চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন ও তার স্বামী নূর আল আমীন বটতলী বাজারে দন্ত চিকিসার চেম্বার দিয়ে খুটি গেরে বসেন এবং সে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা ডেন্টাল প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেননি। মূলত তিনি একজন কাপড় ব্যবসায়ী, হঠাৎ ২ মাস হলো ডাক্তার বনে গেলেন কিভাবে এটি প্রশাসনের নজরে আসা উচিত। প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে বক্তারা বলেন, অভিযোগ কারী শারমিনের স্বামী নুর আল আমিন তার নিজ ফেজবুক আইডিতে দন্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়- এই মর্মে একটি পোষ্ট করেছিলেন এবং ওই পোষ্টে গোলাম রব্বানী কমেন্টে লিখেন “ভুয়া”। ওই কমেন্টকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। এটাকে অন্যদিকে প্রভাবিত করতে শারমিন সুলতানা ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ করেছে। আসলে এমন কোন ঘটনা সেদিন ঘটেনি। বাড়ির সামনেই রাস্তা এবং প্রতিবেশীরা সকল ঘটনা স্বচক্ষে দেখেছেন ও বিবরণ দিয়েছেন। তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করার এক পর্যায়ে দৌঁড়াতে গিয়ে শারমিনের শশুর নিজে নিজেই পড়ে যায়। সেজন্য আঘাত লেগে যায়৷ ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা নেপাল সাহা বলেন, গোলাম রব্বানী, আনতাজ মন্ডল, বাচ্চু সাহার নামে শারমিনের ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। “ভুয়া” বলা কমেন্টকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে পুলিশকে পয়সা খাইয়ে পরিকল্পিত ভাবে অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে শারমিন এই অভিযোগটি করেছেন। একাধিক প্রতিবেশি বলেন, তাদের মধ্যে ফেসবুকে কমেন্ট করা নিয়ে দ্বন্দ্ব। একটি কুচক্রী মহল ফায়দা লোটার জন্য এটি করেছে। বাচ্চু সাহা সহ ৩ জনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযোগকারী ও ভুক্তভোগী উভয় সম্পর্কে আমাদের প্রতিবেশি হয়। ভুক্তভোগী বাচ্চু সাহা বলেন, আমার বিরুদ্ধে পল্লী চিকিৎসক ভুয়া ডাক্তার শারমিনের ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা। সে আমার সম্পর্কে কেউ নয়, একই এলাকায় বসবাস করি সেই সম্পর্কে প্রতিবেশী হয়। আমি সোনালী ব্যাংকের নিচে ব্যবসা বাণিজ্য করি। বাসায় যাওয়ার পথে শারমিনের সঙ্গে গোলাম রব্বানীর দ্বন্দ্ব চলে আমি সেখানে নিষেধ করাই মামলায় লিখেছে আমি তাকে নাকি জোর করে ঝাপটে ধরার চেষ্টা করেছি ! এটা কিভাবে সম্ভব। আমাকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো চেষ্টা চলছে। ক্ষেতলাল থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগকারী শারমিনের সাথে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতে সাক্ষাৎ করলে শারমিন বলেন, ওরা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এবং তারা আমার বাড়ির সামনে এসে ঝাপটে ধরেছে আমি পরে মামলা করেছি তবে দন্ত চিকিৎসার সনদ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে ৩ বছরের ডিপ্লোমা করেছি৷ সেই সনদের ফটোকপি চাওয়া হলে পরক্ষণে তিনি বলেন আমি সিট ফাউন্ডেশন থেকে ডেন্টাল প্রশিক্ষণ এ ৩ বছরে ডিপ্লোমা করেছি আর মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৩ মাস প্র্যাকটিস করেছি৷ এই মুহূর্তে আমার কাছে সনদপত্র নেই বাবার বাসায় আছে বিকালে আপনাদের দিতে পারব৷ পরিশেষে সে কোন ডকুমেন্ট দিতে পারেনি৷ মিথ্যা অভিযোগের ২ নম্বর সাক্ষী স্বচ্ছ ফুয়াদ তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই মামলায় আমাকে স্বাক্ষী করার ঘটনার বিষয় আমি কিছুই জানিনা৷ একই দিনে তদন্ত ছাড়াই আসামিকে আটক করা হলো তাই এটি পরিকল্পিত মামলা৷ মামলাটি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং এই মানহানীর বিরূদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি৷ প্রকৃত ঘটনা গত ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৩ ঘটিকার সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের হাতে আসে সেখানে দেখা যায় ভুয়া দন্ত চিকিৎসক শারমিন হাতে বটি ও আলামিন হাতে লাঠি সোটা নিয়ে তার বাড়ির সামনে রাস্তা অবরোধ করে গোলাম রব্বানীকে মারধর ও হামলা করে। এতে গোলাম রব্বানী নিরস্ত্র ছিলেন এবং সেখান থেকে দৌড়িয়ে তার দোকানে চলে আসেন৷ পরবর্তীতে গোলাম রব্বানী ওই দিন থানায় একটি এজাহার লিখিত করেন। সেটি থানা আমলে না নিয়ে শারমিনের কাউন্টার মামলায় ৩ জনের নামে ধর্ষন চেষ্টার মামলা করলে গোলাম রব্বানীকে থানায় কথা বলার নাম করে ডেকে নিয়ে গ্রেপ্তার করে নেওয়া হয়৷ বাকি ২ জন পালিয়ে রয়েছেন৷ মিথ্যা অভিযোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তেক্ষেপ কামনা করছেন ভূক্তভোগী গোলাম রব্বানী, বাচ্চু সাহা , আনতাজ মন্ডল ও তার পরিবার।