সড়কের পাশ থেকে জহুরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে মণিরামপুর উপজেলার কোনাকোলা দূর্বাডাঙ্গা সড়কের বাটবিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেছেন। তবে এলাকাবাসী ও পুলিশের প্রাথমিক ধারনা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জহুরুলকে পরিকল্পীতভাবে হত্যা করা হতে পারে। জানা যায়, মণিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের খোরশেদ আলী সানার ছেলে জহুরুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে কোনাকোলা বাজারে তার স্যানিটারি ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু সে রাতে বাড়িতে ফেরেনি। স্থানীয়রা বুধবার সকাল ৬ টার দিকে বাটবিলা সড়কের পাশে জহুরুলের রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। এ সময় মৃতদেহের পাশেই পাড়েছিল তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। নিহতের বড়ভাই নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় তার ভাইয়ের সাথে কারোর বিবাদের কথা তিনি শোনেননি। নজরুলের ধারনা ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বে হয়ত পরিকল্পীতভাবে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী জানান, প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে পরিকল্পীতভাবে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

