ঢাকাWednesday , 11 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১৫ বছর পর খুলনা চেম্বার অব কমার্সের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা ও ক্ষমতা হস্তান্তর

খুলনা ব্যুরো
December 11, 2024 10:17 pm
Link Copied!

খুলনা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফ আতিয়ার রহমান পদত্যাগ করেছেন।বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতৃবৃন্দ ও সাধারন শিক্ষার্থীরা গতকাল দুপুরে চেম্বার সচিবালয় ঘেরাও করে। স্ব ইচ্ছায় কমিটি বিলুপ্ত ও পদত্যাগের ঘোষণা দেন চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফ আতিয়ার রহমান এবং যাবতীয় দায়িত্বভার সচিব রুখসানা বানুর কাছে হস্তান্তর করেন। পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, আমি খুলনা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফ আতিয়ার রহমান কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০২৪ এর সকল সদস্যের পক্ষ হতে কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০২৪ বিলুপ্ত ঘোষনা করে যাবতীয় দায়িত্বভার সচিব রুখসানা বানুর কাছে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সকল দায়িত্ব হস্তান্তর করছি। পদত্যাগপত্রে সাক্ষী হিসেবে সাক্ষর করেছেন কাজী মাসুদুল ইসলাম ও এম এ মতিন পান্না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রতিনিধি সাজ্জাদুল ইসলাম বাপ্পি দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, আজ সকালে খুলনার সাধারন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ খুলনা চেম্বার অব কমার্সে গিয়েছে এবং তারা সেখানে বর্তমান কমিটি বিলুপ্তির নিশ্চিত করেই সেখান থেকে এসেছে বলে আমি খবর পেয়েছি। আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্যালুট জানাই এবং আমি এটাকে সমর্থন জানাই। গণঅভ্যুত্থানের ৪ মাস পরে এসেও চেম্বার অব কমার্সের মতো একটা প্রতিষ্ঠান লুটেরা সন্ত্রাসী এবং খুলনার কাউন্সিলর খুলনার যারা নানা অপকর্মের সাথে জরিত তাদের দখলে ছিলো। এটা অত্যন্ত লজ্জার। এটা খুলনাবাসীর জন্য লজ্জার। যেখানে আমাদের ব্যর্থতা , যেখানে খুলনার রাজনৈতিক নেতাদের ব্যর্থতা সেখানে খুলনার সাধারন শিক্ষার্থীরা যে কাজটা করেছে আমি সেটা দৃঢ়ভাবে সমর্থন জানাই। আমি বলতে চাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে এটা সাধারন শিক্ষার্থীরা এই সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নেবে ইনশাআল্লাহ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারা নির্যাতিত ছাত্র প্রতিনিধি মহরম হাসান মাহিম বলেন, সর্বপ্রথমেই বলেছি শিক্ষার্থীরা মব জাস্টিস করেনা, সংস্কারের অংশ হিসেবে খুলনা চেম্বার অব কমার্সে কিছু শিক্ষার্থী অবস্থান নেয়। দৃশ্যমান হলো সভাপতি হলো আমিন কাজী। যে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আওয়ামী লীগ নেতা বুলু বিশ্বাস ভাইস প্রেসিঃ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিঃ আতিয়ার শরীফ, মোস্তফা জেসান ভু্ট্ট। গোপি কিষান মুন্দ্রা, গাউসুল আজম, মফিজুল আলম টুটুল, জুবায়ের আহমেদ খান জবা। আবুল, চৌধুরী সজল, এমডি সোহাগ দেওয়ান, তিলক কুমার এরা সবাই পরিচালক এবং আওয়ামী লীগ নেতা। বনিকদের রক্ষার্থে দেশের তৃতীয় বৃহত্তর নগরী যে জৌলুস হারিয়েছে তা ফিরিয়ে আনার জন্য সংস্কারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক। তবে চেম্বারের অন্য কোনো পরিচালক এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। চেম্বারের সচিব নূর রুখসানা বানু জানান, বেলা ১২টার দিকে কিছু শিক্ষার্থী চেম্বার সচিবালয়ে অবস্থান নিয়ে কমিটি ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান। দুপুর ২টার দিকে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক শরীফ আতিয়ার রহমান চেম্বার সচিবালয়ে যান। খুলনা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফ আতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে সবার পক্ষ থেকে আমি পদত্যাগ করেছি। পর্ষদও ভেঙে দিয়েছি। ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১৫ বছর খুলনা চেম্বারের সভাপতি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী আমিনুল হক। পরিচালনা পর্ষদেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যবসায়ীর সংখ্যাই ছিল বেশি। গত জুলাই মাসে চিকিৎসার জন্য কাজী আমিনুল হক থাইল্যান্ডে যান। ৫ আগস্টের পরে তিনি আর ফিরে আসেননি। তার অবর্তমানে সিনিয়র সহ-সভাপতি শরীফ আতিয়ার রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত ৪ মাস বিএনপি সমর্থিত পরিচালকরাই চেম্বার পরিচালনা করছিলেন।