জয়পুরহাটে বিয়ের কাবিননামার ভুয়া নকল সরবরাহের অভিযোগে ছাইফুল নামের এক নিকাহ রেজিস্ট্রার ও তার ভাই সাইদুলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগি ও তার পরিবার। রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগি পিংকি আক্তার। সংবাদ সম্মেলনে পিংকি অভিযোগ করে জানান, ২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর কোমরগ্রাম পশ্চিমপাড়া এলাকার মাসুদ রানার সাথে ৩০ হাজার টাকা দেনমোহরে ঢাকার সাভারের বাইপাইল এলাকার পিংকির ইসলামী শরিয়ামতে বিবাহ হন। সেই নিকাহনামা রেজিস্ট্রি করেন কাজী সাইফুল ও সহযোগিতা করেন তার ভাই সাইদুল। এর দুই মাস পর মাসুদ রানা মারা গেলে মাসুদ রানার পরিবারের লোকজন তাকে অস্বীকার করে। পরে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তিনি আদালতে একটি মামলা করলে আদালত বিয়ের কাবিননামা চান। এরপর সাইফুল ও ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে কাবিন নামার একটি নকল চাইলে একটি নকল দেন সাইফুল। পরে সেই নকল আদালতে উপস্থাপন করার পর কাবিননামা পিংকিকে দেননি মর্মে জানায় অভিযুক্ত। এরপর থেকে পিংকি স্বামীর স্বীকৃতি ও ভুয়া কাবিনের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার ওই সহযোগী কাজিরা জানান, এই কাজী একজন প্রতারক,জালিয়াতি বাজ আমি উপর মহলের নিকট দাবি জানাই যে এই ,প্রতারক,জালিয়াতি বাজ, বাল্য বিবাহ দেওয়ার ওস্তাদ এই কাজি। তার বিবাহের রেজিষ্টার না রাখার জোর দাবি যানাচ্ছি। জালিয়াতি করে দেনমহর বারানো কমানো সে একটি ইউনিয়নের কাজি হয়ে পুরো জেলায় একাধিক বহি বিতরণ করে যাকে তাকে সহকারী কাজী বানিয়েছেন,ভলিয়াম গায়েব বিভিন্ন অনিয়মের গডফাদার সে একজন প্রতারক, শুধু তাই না সে শতশত বাল্য বিয়ে দেয়,আমরা নিষেধ করলেও শোনেনা। অনেক বেশী লোভী বেশী টাকার বিনিময়ে সে এই সমস্ত এহেন গহীন কাজ করে থাকে। এ সময় বিয়ের স্বাক্ষী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তবে পিংকিকে কোন কাবিননামার নকল দেননি জানিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন নিকাহ রেজিস্টার সাইফুল ইসলাম।

