ঠাকুরগাঁও সদর থানাধীন রায়পুর ইউনিয়নের রায়পুর আশ্রমপাড়ায় প্রতারণা, অসৎ উদ্দেশ্যে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়। শ্যামল রায়ের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে ১৩ অক্টোবর। সেখানে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ঠাকুরগাঁও জেলার আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন এবং ঐ সংগঠনের সদস্য শফিকুল ইসলাম দুলালের নাম। মামলাটি ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জিআর নং ৪১৫/২৪ হিসেবে নথিভূক্ত করা হয়। মামলার ধারা সমুহ হলো ৪১৯,৪২০,৩৮৫,৩৮৬ এবং ৩৪। এই মামলার দ্বায়িত্বে আছেন সদর থানার ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) তাজুল ইসলাম। যেহেতু মামলা চলমান সেক্ষেত্রে অভিযুক্তরা কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত দুই সাংবাদিক ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে চাঁদা দাবি করেছেন। তবে এ ঘটনাকে অনেকেই সাংবাদিকদের হয়রানি হিসেবে দেখছেন এবং দাবি করছেন যে, সঠিক তদন্ত ছাড়া এ ধরনের মামলা সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের শামিল। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের কর্মস্থলে, পিআইবি, তথ্য মন্ত্রণালয়ে নোটিশ পাঠিয়ে বা পেশাগত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাবস্থা গ্ৰহন করা উচিত ছিল। শুধু তাই নয়, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি রাকিব উল নেওয়াজ (নাহিদ) এর ক্ষেত্রে একই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারত প্রশাসন। গুঞ্জন রয়েছে সাংবাদিকদের আরেক সংগঠনের বিরুদ্ধে, তারা কোন ভাবে এটাকে প্রভাবিত করেছে কিনা। ওই সংগঠন সাংবাদিকের পাশে না থাকলেও তাদের কেউ কেউ সোসিয়াল মিডিয়ায় বিরূপ পোস্ট দিয়েছেন। ঘটনাটি এখন স্থানীয় এবং জাতীয় সাংবাদিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সাংবাদিক নেতারা জোর দাবি করছেন, ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে বিচার কাজ শেষ হবে।

