জনদুর্ভোগ থেকে রক্ষার্থে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার দখলদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন ঠাকুরগাঁও পৌরসভা প্রসাশন।শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরাস্তার পূর্ব দিক থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। এতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। জেলা প্রশাসক, প্রশাসনিক কার্যালয়, জজ , জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, পৌরসভা, কারাগার, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ও অন্যান্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, শিশু পার্ক, মা শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় (পুরাতন হাসপাতাল), বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টির জেলা কার্যালয় সহ বহু স্থাপনাসহ ৫ টি উপজেলা, রোড রেল স্টেশন, সিল্ক ফেক্টারি, সুগার মিল সদর হাসপাতাল, যাওয়ার প্রধান সড়কের পার্শ্বে অবস্থিত। এই সব কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বেশি। পৌর প্রশাসন বর্তমানে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এই উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকার কথা ব্যক্ত করেন। এ ব্যাপারে গত ৬ নভেম্বর একটি দৈনিক পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হলে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুজ্জামানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে এবং আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে ছিলেন। সেই সঙ্গে পৌর প্রশাসক সরদার মোস্তফা শাহিন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ঠাকুরগাঁও জানান, আমরা জনকল্যাণে সর্বদা সজাগ, দ্রুত এব্যাপারে ব্যবস্থা গ্ৰহণের নির্দেশ দেন পৌরসভা ষ্টাফদের। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা জনদুর্ভোগ কমাতে সবচেয়ে বেশি আন্তরিকভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন ।

