মেহেরপুরে পৃথক ২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ইব্রাহিম হোসেন নামের এক স্কুল ছাত্র ও একজন অজ্ঞাত নারী নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের সদর উপজেলার চাঁদবীল নামক স্থানে অজ্ঞাত নারী ও মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া নামক স্থানে স্কুল ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন এক যুবক। নিহত স্কুল ছাত্র ইব্রাহিম গাংনী উপজেলার তেরাইল গ্রামের রাস্তাপাড়া এলাকার আজগর শাহর ছেলে ও জৌতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র। অরদিকে সদর উপজেলার চাঁদবীল নামক স্থানে নিহতের নাম পরিচয় সনাক্ত হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সন্ধ্যার পর তেরাইল গ্রামের স্কুল ছাত্র ইব্রাহিম হোসেন ও তাঁদের এসকেবটরের চালক একই গ্রামের আলমাছ হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন একই মোটরসাইকেলে এবং অপর একটি মোটারসাইকেলে ২ জন রেসলিং করে দ্রুত গতিতে তেরাইল থেকে জোঁড়পুকুরিয়া গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় সামনে থেকে একটি মাইক্রোবাস ও একটি ট্রাক আসছিল। মাইক্রোবাসটিকে সাইড দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাকের নিচে পড়ে। তাঁদের ব্যবহৃত মোটরাসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে যায়। রাস্তায় ছিটকে পড়ে চালক আলমগীর হোসেন গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা ইব্রাহিম হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে, মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবীল নামক স্থারে রাস্তার উপর পড়েছিল অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ। তাঁর মরদেহ মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের চাঁদবীল ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই নারী মানসিক প্রতিবন্ধী বলে ধারণা করছেন পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, দ্রুতগামী কোন গাড়ি তাঁকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেছে। নিহত ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন অংশ থেতলানোর ক্ষত রয়েছে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মেহেরপুর সদর থানার ওসি আমানুল্লাহ আর বারী জানান, সন্ধ্যার পর পরই মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গা সড়কের শহরের উপকণ্ঠে ইম্প্যাক ফাউন্ডেশনের কাছে রাস্তার উপর ওই নারীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যদের খবর দেন। পরে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

