ঢাকাSaturday , 16 November 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে আদালতের নাজিরের বিরুদ্ধে হামলা লুটপাট ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

Link Copied!

বাগেরহাট বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির অঞ্জন কুমার দাশের বিরুদ্ধে জমি দখলে নেওয়ার জন্য বসত বাড়িতে হামলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ফকিরহাট উপজেলার চাঁদেরডোন গ্রামের শুসান্ত কুমার দাস নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, চাঁদেরডোন গ্রামের বাসিন্দা এবং বাগেরহাট বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির অঞ্জন কুমার দাশ ও তার লোকজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ওই জমি দখলের জন্য বিভিন্ন সময় অঞ্জন কুমার দাশ হুমকি দিচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় ১২ নভেম্বর রাত ৮ টার দিকে অঞ্জন কুমার দাশ, চন্দনকুমার দাশ, বিদ্যুৎ দাশ, সংকোজ দাশ, উজ্জল দাশ, সত্যজিৎ দাশ ও ইকবাল মোড়ল চাদেরডোন গ্রামে আমাদের বসত বাড়ির সামনে এসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার (শুসান্ত কুমার দাস) ও আমার ভাই সঞ্জয় দাসের নাম ধরে ডেকে গালিগালাজ করতে থাকে। আমরা বাড়ি না থাকায়, আমার বোন করুনা রানী দাশ গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে তারা জোরপূর্বক আমাদের ঘরে প্রবেশ করে। তারা আমার বোনের ছেলে বালক দাশের কম্পিউটার, সিলিং ফ্যান, ওয়াইফাই রাউটার, দুটি কাঠের চেয়ার, ১০টি প্লাস্টিকের চেয়ার, সেক্রেটারি টেবিল, ডাইনিং টেবিল, কম্পিউটার টেবিল, ৪০০ নারকেল, ১৫০ কুড়ি সুপারি, এলইডি টিভি, দুটি সিলিং ফ্যান ও মুরগীর ফার্ম থেকে ৭০টি ব্রয়লার মুরগী লুটে নিয়ে যায়।যাওয়ার সময় আমার বোনকে ও আমাদের জমি ছেড়ে দিতে হুমকি দিয়ে যায়, জমি না ছাড়লে এবং এসব নিয়ে মামলা মোকদ্দমা করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় অঞ্জন কুমার দাশ ও তার লোকজন। পরে চুলকাঠি বাজারে থাকা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক ২০০ বস্তা সেভেন রিংস সিমেন্ট জোর পূর্বক নিয়ে যায়। ব্যবসায়ী শুসান্ত কুমার দাস আরও বলেন, ঘটনার পরে ফকিরহাট থানায় মামলা দায়েরের জন্য গেলে নাজির অঞ্জন কুমার দাশের প্রভাবে ফকিরহাট থানা পুলিশ আমার মামলা নথিভুক্ত করেননি। বরং অঞ্জন কুমার দাশ আমার ও আমার ভাইয়ের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। এই অবস্থায় আমরা চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। ব্যবসায়ীর সাথে থাকা তার ভাই সঞ্জয় কুমার দাশ বলেন, প্রভাবশালী নাজির অঞ্জন কুমার দাশ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। চাকুরী বাণিজ্য কবে অনেক টাকা আয় করেছেন। অনেককে চাকুরী দেওয়ার নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চাকুরী না হওয়ায় টাকা ফেরত আনতে গেলে তাদেরকে ভয়ভীতি ও গালিগাজ করে তাড়িয়ে দেন। মানুষকে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে হয়রানি করেছেন। বর্তমানে ৪ তলা বাড়ির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। তার আত্মীয়দের নামে এবং বেনামে অঢেল সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তারা প্রভাবশালী নাজির অঞ্জন কুমারের অত্যাচার থেকে মুক্তি চান এবং সেই সাথে তারা যাতে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি সুষ্ঠুভাবে ভোগ দখল করতে পারেন সে জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংবাদ সম্মেলনে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাজির অঞ্জন কুমার দাশ বলেন, আমি কারও বাড়িতে হামলা করিনি। কারও জমি দখলের চেষ্টাও করিনি। তাদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তাই এসব মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।