ঢাকাWednesday , 13 November 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরিষাবাড়ীতে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

Link Copied!

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে চর পোগলদিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বিকেলে বিদ্যালয় মাঠে চর পোগলদিঘা এলাকাবাসীর সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় এলাকাবাসী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার গাড়ির গতিরোধ করে এসব অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ১৭ নং চর পোগলদিঘা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা নাজমুন নাহার ডেইজি ওই বিদ্যালয়ে সিনিয়র ২ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা থাকলেও ক্ষমতার দাপটে জুনিয়র হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের সকল বরাদ্ধের টাকা নামমাত্র কাজ দেখিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাদের যোগ সাজসে আত্মসাতের মহা উৎসব। একটি টিউবওয়েল ৩ বার দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন৷ ১২০ টাকার ২ টি সীমানা পিলার কিনে ৮ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছে, পানির পাম্প না কিনেই টাকা কেটে নিয়ে গেছে, এছাড়াও বিদ্যালয়ে এসে অভিভাবক ও সহকারী শিক্ষকদের সাথে অসদাচরণ করেন বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি লিটন তালুকদার, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শাহান শাহ, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি স্বাধীন মিয়া, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, অভিভাবক জমিলাসহ এলাকাবাসী। এ সময় তারা উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত সাবেক প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিচার দাবি করে এলাকাবাসী। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা নাজমুন নাহার ডেইজি বলেন, আমার বিষয়ে যে অভিযোগ গুলো আনা হয়েছে সে সব অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এসব দুর্ণীতির সাথে কখনোই জড়িত না। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, আমি ও আমার সহকারী শিক্ষা অফিসার কালকে ওই বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। এলাকাবাসীর বিভিন্ন অভিযোগ শুনেছি। আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।