রাজনীতিবিদ, সমাজ সেবক নজরুল ইসলাম মাতব্বর (নজু) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের প্রস্ততি নিচ্ছেন। দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তার নির্বাচনি এলাকা ইতোমধ্যে চষে বেড়াচ্ছেন এ তরুন প্রার্থী। রাজধানীর মিরপুর ১০ নং এলাকার মদিনা নগর, এভিনিউ ৫, সবুজ বাঙলা, ১১ নং আংশিক, ১১ নং কাঁচা বাজার, বিহাড়ীপট্রি, ব্লক A, ব্লক B, সাদা পানির ট্যাংক এর আশপাশ এলাকা নিয়ে গঠিত ৩ নং ওয়ার্ড। কাউন্সিলর নির্বাচন করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি সভা সমাবেশ, মিছিল মিটিং, শোডাউন, পোস্টারিং, দেয়াল লিখন, সুধীজনের সাথে বৈঠক, মাদ্রাসার এতিমদের খাদ্য বিতরণ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে পূজার অনুদান প্রদানসহ নানা সামাজিক কর্মকান্ডে ব্যস্ততার সময় পার করছেন তিনি। ১৯৯০ সালে ঢাকার সরকারি তেঁজগাও কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দেন। সেখান থেকে শুরু হয় নজরুল ইসলাম মাতব্বরের রাজনৈতিক জীবন। বর্তমানে তিনি ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর পূর্বে তিনি ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক, ৩নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং ৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সহ সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও নজরুল ইসলাম (নজু) বর্তমানে বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক, জাতীয় মুকুল ফুল সংঘের সাধারন সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এর সিকিউরিটি এন্ড লিয়াজু কমিটির সিনিয়র কো অর্ডিনেটরের দায়িত্বে আছেন। তিনি প্রতিবেদকে বলেন, বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিপক্ষ দ্বারা অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। তার নামে মোট ৫২টি ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ১৮ বার গ্রেফতার হয়েছেন। তাকে কারাগারে ডান্ডাবেরি পরিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। কথা গুলো বলতে গিয়ে প্রতিবেদকের সামনেই আবেগপ্রুতো হয়ে কেঁদে ওঠেন তিনি। তিনি বলেন, আমার ওয়ার্ডের জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে জনগণের দীর্ঘদিনের আশা পুরনে মাঠে কাজ করে যাবো। এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার নির্মান, কবরস্থান নির্মান, বধ্যভূমি সংস্কার, পয়নিস্কাসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি, রাস্তাঘাট মেরামত, বিহাড়ীপট্রির জনগনের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নসহ এলাকার মাদক নির্মূলে কাজ করবো।
দৈনিক পাঞ্জেরীর প্রতিবেদক ৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার জনগণের সাথে কথা বলে জানতে পারেন বিগত বিএনপি কাউন্সিলর কাজী আলী ইমাম আসাদ বিভিন্নভাবে দলের সাথে বেইমানি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। প্যারিস রোডে অবস্থিত সিটি করপোরেশনের মার্কেট তৈরী ও বরাদ্দের নামে এবং ১০ নং বহুমূখী সমবায় সমিতির দোকান বরাদ্দের নামে হাতিয়ে নিয়েছেন শত কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলর মানিকের বিরুদ্ধেও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। কাউন্সিলর মানিকের নেতৃত্বে হোপ মার্কেট থেকে প্রতিদিন চাঁদা উঠতো লক্ষাধিক টাকা। মানিকের নেতৃত্বে চাঁদার টাকা উত্তোলন করতেন, বুলবুল, আলম, জহির, সামসুদ্দিন, পল্টন, তালা দুলাল। স্থানীর বাসিন্দারা বার বার ফুট উচ্ছেদ বা ফুট শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য কাউন্সিলর মানিককে বললেও তিনি কর্ণপাত করতেন না ।( চলবে)

