শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানী শিমূল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্লাত আকন্দের বিরুদ্ধে এক ইউপি সদস্যের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানী শিমূল ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও বালীজুরী গ্রামের মৃত আসমত আলীর ছেলে আলহাজ নুরল হক চাঁদা দাবী ও মেরে ফেলার হুমকির বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শ্রীবরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর ইউনিয়ন বিএনপির এই নেতা দলের নাম ভাংগিয়ে বিভিন্ন জনকে হুমকি ধামকি ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছে। ইতিপূর্বেও তিনি চেয়ারম্যানকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। সরকার পতনের পর তিনি আরো বেপরোয়া হয়ে গেছে। ঘটনার দিন সকালে নুরল হক মেম্বারসহ উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগণ এবং এলাকাবাসী চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার ও অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিল্লাত আকন্দ তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন শেষে ঐ দিন ১ সেপ্টেম্বর দুপুর ২ টার দিকে তিনিসহ অনান্য সদস্যদের সাথে বকশিগঞ্জ রোডে মিল্লাত আকন্দের চাউলের দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ। এ সময় মিল্লাত আকন্দ হুমকি দিয়ে রাণীশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারী করলে তাকে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। মিল্লাত আকন্দ ঝিনাইগাতী উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ফার্নিচার ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের নিকট চাঁদা দাবী ও মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা দিয়ে হয়রানি ভয় দেখায়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রাপ্ত হওয়ার খবর শুনে মালাকুচা গ্রামের আফরুজা মেম্বারের মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে মিল্লাত আকন্দের সাথে যোগাযোগ করা তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মীর রুকুনুজ্জামান লাখু অভিযোগটির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নুরল হক মেম্বার ও মোতালেব আমাদের কাছে অভিযোগ করেছিলো পরবর্তীতে থানা এবং ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

